Kalyani Medical College Doctor Allegation: রোগীকে নগ্ন করা, স্তনে হাত, কল্যাণী মেডিক্যালের ডাক্তারের বিরুদ্ধে গুরুতর সব অভিযোগ

ওই আরএমও-এর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ লেখা একটি চিঠি তুলে দেওয়া হয়েছে কলেজের প্রিন্সিপালের কাছে। সেই চিঠিতে পিজিটিরা দাবি করেছেন, ওই আরএমও নিজের বাউন্ডারি না মেনেই রোগীর যৌন হেনস্থা করেছেন। তিনি শারীরিক পরীক্ষার নামে নির্দিষ্ট সমস্যা নিয়ে আসা রোগীর 'স্তনে' একাধিকবার হাত দিয়েছেন। এমনকী পরীক্ষার নামে তিনি এক রোগীর জামাকাপড় পর্যন্ত খুলিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

Advertisement
রোগীকে নগ্ন করা, স্তনে হাত, কল্যাণী মেডিক্যালের ডাক্তারের বিরুদ্ধে গুরুতর সব অভিযোগকল্যাণী মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
হাইলাইটস
  • ওই আরএমও-এর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ লেখা একটি চিঠি তুলে দেওয়া হয়েছে কলেজের প্রিন্সিপালের কাছে
  • ই আরএমও নিজের বাউন্ডারি না মেনেই রোগীর যৌন হেনস্থা করেছেন
  • তিনি শারীরিক পরীক্ষার নামে নির্দিষ্ট সমস্যা নিয়ে আসা রোগীর 'স্তনে' একাধিকবার হাত দিয়েছেন

কল্যাণীর কলেজ অব মেডিসিন এবং জেএনএম হাসপাতালে কর্মরত এক আরএমও-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করলেন সেই হাসপাতালেরই পোস্টগ্র্যাজুয়েট ট্রেনিরা (পিজিটি)। অভিযোগ, রোগীদের অজান্তেই ওই আরএমও রোগ পরীক্ষার নামে যৌন হেনস্থা করেছেন। সেই সঙ্গে এমার্জেন্সির সময় ওই আরএমও-এর অনুপস্থিতি, সহকর্মীর নামে নিন্দা সহ একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। 

ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে কলেজের প্রিন্সিপালের কাছে। কলেজের নির্দিষ্ট কমিটি বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে বলেও জানা গিয়েছে। 

ঠিক কী অভিযোগ? 
ইতিমধ্যেই ওই আরএমও-এর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ লেখা একটি চিঠি তুলে দেওয়া হয়েছে কলেজের প্রিন্সিপালের কাছে। সেই চিঠিতে পিজিটিরা দাবি করেছেন, ওই আরএমও নিজের বাউন্ডারি না মেনেই রোগীর যৌন হেনস্থা করেছেন। তিনি শারীরিক পরীক্ষার নামে নির্দিষ্ট সমস্যা নিয়ে আসা রোগীর 'স্তনে' একাধিকবার হাত দিয়েছেন। এমনকী পরীক্ষার নামে তিনি এক রোগীর জামাকাপড় পর্যন্ত খুলিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

এখানেই শেষ নয়, ওই আরএমও প্রয়োজনের সময় এমার্জেন্সিতে কেসে যান না। তিনি পিজিটি-দের পিছনে ও নিজের সহকর্মীদের পিছনে খারাপ কথা বলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। 

ইতিমধ্যেই এই সব অভিযোগ নিয়ে চিঠি গিয়েছে হাসপাতালের প্রিন্সিপালের সঙ্গে। শুরু হয়েছে তদন্ত। 

এই প্রসঙ্গে হাসপাতাল মেডিক্যাল সুপার ডা: ধ্রুব সরকার বলেন, 'বিষয়টা নিয়ে আমার কাছে অভিযোগ জমা পড়েছিল। আমি প্রিন্সিপালের কাছে সেটা পাঠিয়ে দিয়েছি। ইতিমধ্যেই হাসপাতালের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে তদন্ত। অনেককেই সাক্ষ্মী হিসেবে ডাকা হচ্ছে।' 

যতদূর খবর, সমস্যার শুরু বেশ কয়েক বছর আগে। তখন থেকে পিজিটিরা মৌখিকভাবে ওই আরএমও-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে শুরু করেন। নানাবিধ অভিযোগ উঠতে থাকে। কিন্তু কোনও লিখিত অভিযোগ না থাকায় বিষয়টা নিয়ে এগনো যায়নি। শুধুমাত্র কয়েকটি ক্ষেত্রে মিটিং ডেকে সকলকে সাবধান করে দেওয়া হয়। 

তবে চলতি বছরে পিজিটি-রা এই নিয়ে অভিযোগ করেছেন। তারা লিখিতভাবে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন। সেই মতো শুরু হয়ে গিয়েছে তদন্ত। 

Advertisement

যদিও স্বাস্থ্যভবনের কাছে এই তথ্য পৌঁছেছে কি না, পৌঁছলেও তারা কোনও ব্যবস্থা নিতে চলেছে কি না, সেই বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি। এখন দেখার জল ঠিক কোন দিকে গড়ায়।

 

POST A COMMENT
Advertisement