বীরভূমের ৪টি গ্রামে ডায়েরিয়ার আক্রান্ত ১৫০, হাসপাতালে ভর্তি অনেকে

খয়রাশোলের আমাজলা, রানিপাথর, বাগাসোলা ও পাথরকুচি, এই চারটি গ্রামে এখনও পর্যন্ত ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫০ জন মানুষ। পাশাপাশি শারীরিক অবস্থার অবনতির জন্য ১০ থেকে ১২ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাছাড়া আরও কয়েকজনকে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে।

Advertisement
বীরভূমের ৪টি গ্রামে ডায়েরিয়ার আক্রান্ত ১৫০, হাসপাতালে ভর্তি অনেকেগ্রামে পরিষেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা
হাইলাইটস
  • করোনার মাঝেই ডায়েরিয়ার প্রকোপ
  • খয়রাশোলের ৪টি গ্রামে জল থেকে ডায়রিয়া
  • পরিষেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা

করোনা (Corona) অতিমারীর মধ্যেই এবার ডায়েরিয়া (Diarrhoea) থাবা বসাল বীরভূম জেলার খয়রাশোল (Khoyrasole Birbhum) ব্লকের পাঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪টি গ্রামে। আমাজলা, রানিপাথর, বাগাসোলা ও পাথরকুচি, এই চারটি গ্রামে এখনও পর্যন্ত ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫০ জন মানুষ। পাশাপাশি শারীরিক অবস্থার অবনতির জন্য ১০ থেকে ১২ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাছাড়া আরও কয়েকজনকে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। তাই আজ রবিবার রানিপাথর গ্রামের নাকড়াকোন্দা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা পরিষেবা দিচ্ছেন। যাঁরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের চিকিৎসা করার পাশাপাশি ওষুধপত্রও দেওয়া হচ্ছে। 

এদিন চিকিৎসক উৎপল রক্ষিত জানান, 'আমরা দুদিন আগে এই রোগ সম্পর্কে জানতে পেরেছি। আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রামে গ্রামে সচেতনতা অভিযান চালাচ্ছেন। আমরা জানতে পারলাম জলে দূষণের জেরেই এই রোগ ছড়িয়েছে। এখন মেডিক্যাল ক্যাম্প করে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে।' 

অন্যদিকে বর্ণালী দাস নামে গ্রামের এক গৃহবধূ জানান, 'প্রধান সমস্যা হল জলের। আমাদের এখানে পুকুরের জল একেবারে দূষিত হয়ে পড়েছে। পান করার জন্য কুঁয়োর জলও সেরকম ভাবে ব্যবহার করতে পারি না। ফলে গ্রামে ১৫০ জনের মতো মানুষ ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৮ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। গ্রামে এখন চিকিৎসকরা এসে পরিষেবা দিচ্ছেন।' 

পাশাপাশি অমর রুইদাস নাম এক ব্যক্তি জানান, 'চার-পাঁচ দিন ধরে গ্রামে ডায়েরিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমাদের রানিপাথর গ্রামে পানীয় জলের অবস্থা খুবই খারাপ। কিন্তু ওই জলই আমাদের ব্যবহার করতে হচ্ছে। ফলে আমাদের সবার ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। তাই এই জল পান করে শরীর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে। কিন্তু সেখানেও ঠিকভাবে পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না।' এক্ষেত্রে সরকারকে গোটা বিষয়টি দেখারও আবেদন জানান ওই ব্যক্তি। 

 

POST A COMMENT
Advertisement