মোদীর যোগ উৎসবে কলকাতার ইনফ্লুয়েন্সারদের পোয়াবারো, মিলছে প্রচার ও আয়

সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনের কর্মসূচি কভার করার জন্য কলকাতার ১০০-রও বেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেকেরই সামাজিক মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফলোয়ার রয়েছে। মূলত ফিটনেস, ওয়েলনেস, ভ্রমণ ও লাইফস্টাইল বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতাদেরই এই উদ্যোগে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ইনস্টাগ্রাম রিল, স্টোরি এবং বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তাঁরা অনুষ্ঠানগুলির প্রচার ও প্রচ্ছদ তুলে ধরছেন।

Advertisement
মোদীর যোগ উৎসবে কলকাতার ইনফ্লুয়েন্সারদের পোয়াবারো, মিলছে প্রচার ও আয়ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে ঘিরে কলকাতায় এবার শুধু যোগব্যায়াম বা সাংস্কৃতিক আয়োজনই নয়, তৈরি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান ও প্রচারের সুযোগও।
  • প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এই বৃহৎ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরের শতাধিক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে বিশেষভাবে যুক্ত করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে ঘিরে কলকাতায় এবার শুধু যোগব্যায়াম বা সাংস্কৃতিক আয়োজনই নয়, তৈরি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান ও প্রচারের সুযোগও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এই বৃহৎ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরের শতাধিক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে বিশেষভাবে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান একদিকে যেমন স্বাস্থ্য ও সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে, তেমনই কলকাতার ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্যও খুলে দিচ্ছে নতুন সম্ভাবনার দরজা।

সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনের কর্মসূচি কভার করার জন্য কলকাতার ১০০-রও বেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেকেরই সামাজিক মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফলোয়ার রয়েছে। মূলত ফিটনেস, ওয়েলনেস, ভ্রমণ ও লাইফস্টাইল বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতাদেরই এই উদ্যোগে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ইনস্টাগ্রাম রিল, স্টোরি এবং বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তাঁরা অনুষ্ঠানগুলির প্রচার ও প্রচ্ছদ তুলে ধরছেন।

আয়োজকদের দাবি, এটি পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহত্তম যোগ আন্দোলন। কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের সহযোগিতায় বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে এই ডিজিটাল প্রচারাভিযান পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার বহু কনটেন্ট ক্রিয়েটর অভিযোগ করে আসছিলেন যে, দিল্লি, মুম্বই বা বেঙ্গালুরুর তুলনায় তাঁদের কাজের সুযোগ অনেক কম। তাই এই উদ্যোগকে তাঁরা নিজেদের জন্য বড় স্বীকৃতি হিসেবেই দেখছেন।

কিছু কনটেন্ট ক্রিয়েটরের দাবি, আগের তুলনায় এবার তাঁদের কাজের জন্য পারিশ্রমিকও দেওয়া হচ্ছে। যদিও পারিশ্রমিকের নির্দিষ্ট অঙ্ক নিয়ে সরকারি বা আয়োজক সংস্থার তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। অধিকাংশ ক্রিয়েটরই জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি বাইরের একটি এজেন্সির মাধ্যমে সমন্বয় করা হচ্ছে।

যোগ দিবস উপলক্ষে শুক্রবার শহরের ১১টি জায়গায় ‘দৌড় সে ধ্যান’ শীর্ষক বিশেষ যোগ রান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার প্রিন্সেপ ঘাট ও মিলেনিয়াম পার্কে ৩,০০০ ড্রোনের বিশাল শো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে বিশাল যোগব্যায়াম প্রদর্শনীর মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হবে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেওয়ারও কথা রয়েছে।

Advertisement

এছাড়া ৫০০টি নৌকায় একযোগে যোগব্যায়াম প্রদর্শনের মাধ্যমে বিশ্বরেকর্ড গড়ার প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যেই কলকাতায় এসে প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।

তবে এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়েও কিছু প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর জানিয়েছেন, তাঁদের নির্বাচন করা হয়নি এবং কী মানদণ্ডে নির্বাচন করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য তাঁদের দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে নির্বাচিত ক্রিয়েটরদের পুলিশি যাচাই-সহ একাধিক ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেতে হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ শুধু যোগব্যায়ামের প্রচারেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি বাংলার ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতাদের জাতীয় স্তরের প্রচারাভিযানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। ফলে আঞ্চলিক কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি স্থানীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন দিগন্তও খুলে দিয়েছে এই কর্মসূচি।

 

POST A COMMENT
Advertisement