
সরকারি পাট্টা জমি দখল করে কারখানা গড়ে তোলার অভিযোগ উঠলো একটি বেসরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে। পুরুলিয়ার পাড়া ব্লকের মহুদা ও গোবিন্দপুর মৌজার কয়েকশো একর জমি উপর গড়ে উঠেছে স্পঞ্জ আয়রন কারখানা। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, ওই দুই মৌজায় বহু জমি বাম আমলে তফসিলি জাতি ও উপজাতির মানুষজনদের পাট্টা দিয়েছিল সরকার। কিন্তু কারখানা তৈরিতে সেইসব পাট্টার জমি দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
এনিয়ে রঘুনাথপুর মহকুমার শাসকের কাছে একাধিক অভিযোগ করেছেন জমিহারা কৃষকরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কৃষকদের নিয়ে একটি শুনানি হয়। মহকুমা শাসকের কাছে কৃষকরা সমস্ত অভিযোগ জানান। তাতে কোনও শুরাহা এখনও পর্যন্ত হয়নি। প্রশ্ন উঠছে পাট্টার জমি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে আদৌ নিয়ম মানা হয়েছে? কারণ পাট্টার জমি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করতে গেল তার একাধিক নিয়ম রয়েছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, প্রথমে পাট্টা খারিজ করতে হয়। তারপর তা নির্দিষ্ট সংস্থার নামে মিউটেশন করতে হয়। পাশাপাশি জমির চরিত্রবদলেরও প্রয়োজন জরুরি। তারপরেই সেই জমি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যায়। এই ক্ষেত্রে কারখানা কর্তৃপক্ষ বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠছে।
যদিও এ বিষয়ে ওই কারখানা কর্তৃপক্ষ ক্যামেরা সামনে কিছু না জানালেও তারা মৌখিক ভাবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়েছে এলাকায়। ক্ষুব্ধ পাট্টা পাওয়া জমির বাসিন্দারা। শুনানির জন্য ডাকা হল মহকুমা শাসকের দফতরে।
রিপোর্টারঃ সত্যজিৎ ব্যানার্জি