Arjun Singh: অর্জুন সিংয়ের নামে জাল নথি, নোয়াপাড়ায় বড়সড় প্রতারণা চক্রের পর্দাফাঁস

বিধায়ক তথা রাজ্যের শ্রম ও পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের নামে ভুয়ো সুপারিশপত্র তৈরি করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ। ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই চক্রটি সক্রিয় ছিল এবং সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে একাধিক ব্যক্তিকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হচ্ছিল।

Advertisement
অর্জুন সিংয়ের নামে জাল নথি, নোয়াপাড়ায় বড়সড় প্রতারণা চক্রের পর্দাফাঁসঅর্জুন সিং
হাইলাইটস
  • অর্জুন সিংয়ের নামে ভুয়ো সুপারিশপত্র তৈরি করে তোলাবাজি
  • দীর্ঘদিন ধরেই এই চক্রটি সক্রিয় ছিল
  • ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

এবার জনপ্রতিনিধির সরকারি নথি জাল করার অভিযোগ ঘিরে শোরগোল। নোয়াপাড়া বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের শ্রম ও পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের নামে ভুয়ো সুপারিশপত্র তৈরি করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ। ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই চক্রটি সক্রিয় ছিল এবং সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে একাধিক ব্যক্তিকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হচ্ছিল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি এই প্রতারণার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

ধৃতরা হলেন ইছাপুরের বাসিন্দা সোমনাথ দাস ও রোমান দাস। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা এলাকার একাধিক মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিধায়কের নামে জাল সুপারিশপত্র তৈরি করে দিতেন। সেই নথি ব্যবহার করে সরকারি দফতরে বিভিন্ন কাজ করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হতো বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এক ব্যক্তি ওই সুপারিশপত্র নিয়ে একটি সরকারি দফতরে জমা দিতে গেলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সন্দেহ হয়। নথিটি খতিয়ে দেখার পর সেটি জাল বলে মনে হওয়ায় বিষয়টি ওই ব্যক্তিকে জানানো হয়। 

সেই ঘটনার পর তিনি নোয়াপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিষয়টি নিয়ে BJP-র নোয়াপাড়া ২ মণ্ডলের সভাপতি সুপ্রিয় দে জানান, গোটা ঘটনার কথা নোয়াপাড়া বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের শ্রম ও পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিংকে জানানো হয়েছে। তিনি প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পাশাপাশি দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশের তদন্তে পুরো ঘটনার নেপথ্যের তথ্য সামনে আসবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ সোমনাথ দাস ও রোমান দাসকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, এই প্রতারণা চক্র কতদিন ধরে চলছিল, কতজন মানুষ এর শিকার হয়েছেন এবং জাল নথি তৈরির সঙ্গে আরও কোনও ব্যক্তি বা সংগঠিত চক্রের যোগ রয়েছে কি না। উদ্ধার হওয়া নথিপত্রও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

Advertisement

রিপোর্টার- দীপক দেবনাথ

 

POST A COMMENT
Advertisement