SIR Protest Controversy: 'আমাদের কেউ নয়', SIR ধর্নামঞ্চের 'সন্ন্যাসী'কে নিয়ে নোটিশ রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের

SIR প্রতিবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের ধর্নামঞ্চে উপস্থিত এক গেরুয়া বসনধারী ব্যক্তিকে নিয়ে বিতর্ক। নিজেকে 'সন্ন্যাসী' পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তি দাবি করেছিলেন, তিনি উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ অঞ্চলে রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের প্রেসিডেন্ট। কিন্তু উল্টো কথা বলছে রামকৃষ্ণ সারদা মিশন।

Advertisement
'আমাদের কেউ নয়', SIR ধর্নামঞ্চের 'সন্ন্যাসী'কে নিয়ে নোটিশ রামকৃষ্ণ সারদা মিশনেরবিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, 'মিনাখাঁয় রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের কোনও শাখা নেই।
হাইলাইটস
  • তৃণমূল কংগ্রেসের ধর্নামঞ্চের এক গেরুয়া বসনধারী ব্যক্তিকে নিয়ে বিতর্ক।
  • দাবি করেছিলেন, তিনি উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ অঞ্চলে রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের প্রেসিডেন্ট।
  • কিন্তু উল্টো কথা বলছে রামকৃষ্ণ সারদা মিশন।

SIR প্রতিবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের ধর্নামঞ্চের এক গেরুয়া বসনধারী ব্যক্তিকে নিয়ে বিতর্ক। নিজেকে 'সন্ন্যাসী' পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তি দাবি করেছিলেন, তিনি উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ অঞ্চলে রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের প্রেসিডেন্ট। কিন্তু উল্টো কথা বলছে রামকৃষ্ণ সারদা মিশন। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মিনাখাঁয় তাদের কোনও শাখাই নেই। রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে সংগঠন। গত ৬ মার্চ SIR-এর বিরোধিতায় আয়োজিত ধর্না কর্মসূচিতে হাজির হয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, প্রায় ১৪ বছর ধরে তিনি মিনাখাঁ রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি ছিল, সম্প্রতি SIR-এ তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই তিনি ধর্নামঞ্চে এসেছেন বলে জানান।

বক্তব্য রাখার সময় আরও দাবি করেন, তিনি বেলুড় মঠের দশম প্রেসিডেন্ট স্বামী বীরেশ্বরানন্দের মন্ত্রশিষ্য। মঞ্চ থেকে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসাও করেন। SIR প্রক্রিয়ার কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর কথায়, 'যদি এভাবে চলতে থাকে, তাহলে সত্যের জয় হোক; এই প্রার্থনাই করছি ঠাকুর, মা এবং স্বামীজির কাছে। SIR প্রক্রিয়া তুলে নেওয়া হোক।'

মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য শুনে ওই ব্যক্তিকে নথিপত্র দেখানোর পরামর্শ দেন। বলেন, তিনি দাবি করছেন যে ২০০২ সালেও তাঁর নাম ভোটার তালিকায় ছিল। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে ওই ব্যক্তি দাবি করেন, তাঁর কাছে এমন ৭ জনের তথ্য রয়েছে যাঁদের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মৃত বলে দেখানো হয়েছে।

ধর্নামঞ্চে ওই ব্যক্তির বক্তব্যের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়েছিল। সম্প্রতি এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে রামকৃষ্ণ সারদা মিশন।

প্রতিষ্ঠানের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, 'শ্রী সারদা মঠ' এবং 'রামকৃষ্ণ সারদা মিশন'; দুই সংস্থাই দক্ষিণেশ্বরের সদর দফতর থেকে পরিচালিত রেজিস্টার্ড ট্রাস্ট ও সোসাইটি। এই সংগঠনগুলি সম্পূর্ণভাবে সন্ন্যাসিনী বা সাধ্বীদের দ্বারা পরিচালিত। ১৯৫৪ সালে শ্রী সারদা মঠ প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৬০ সালে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণমূলক কাজের জন্য রামকৃষ্ণ সারদা মিশন গঠিত হয়।

Advertisement

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, 'মিনাখাঁয় রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের কোনও শাখা নেই। ফলে কোনও পুরুষ সন্ন্যাসী যদি নিজেকে এমন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি বলে দাবি করেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর।' সংস্থার নাম, প্রতীক বা লোগো যথাযথ অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। পুরো বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। 

POST A COMMENT
Advertisement