Rejinagar Bypoll 2026: 'যা হবার হবে,' ব্লক সভাপতি গ্রেফতার হতেই রেজিনগরে প্রচার বন্ধ হুমায়ুনের

Humayun Kabir Rejinagar Election: প্রচার করব না। রেজিনগরে উপনির্বাচনের আগে ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের। এই কেন্দ্রে ছেলে গোলাম নবি আজাদকে AJUP-র প্রার্থী করেছিলেন হুমায়ুন।

Advertisement
'যা হবার হবে,' ব্লক সভাপতি গ্রেফতার হতেই রেজিনগরে প্রচার বন্ধ হুমায়ুনেরপ্রচার থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP)-র প্রতিষ্ঠাতা।
হাইলাইটস
  • 'প্রচার করব না', ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের।
  • ছেলে গোলাম নবি আজাদকে AJUP-র প্রার্থী করেছিলেন হুমায়ুন।
  • ভোটের আগেই  প্রচার থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করলেন।

Humayun Kabir Rejinagar Election: প্রচার করব না। রেজিনগরে উপনির্বাচনের আগে ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের। এই কেন্দ্রে ছেলে গোলাম নবি আজাদকে AJUP-র প্রার্থী করেছিলেন হুমায়ুন। তবে ভোটের আগেই প্রচার থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP)-র প্রতিষ্ঠাতা।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনা। একদিকে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী গ্রেফতার। অন্য়দিকে তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার। এর মধ্যেই ভোটের প্রচার থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করলেন হুমায়ুন কবীর। আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন।  

হুমায়ুনের বলেন, 'আমরা প্রচার করব না। ভোটে যা হবে, হবে। লুঠ করবে পুলিশ। লুঠেরও মোকাবিলা ভোটের দিন করব। তাতে ১০টা খুন হবে। আমার হলে হবে। ওদেরও হলে হবে। ওরা যেটা বলতে চাইছে, ওদের ক্যাডাররা, ওদের যারা তৃণমূলের এখানে গুন্ডাগিরি করত পুলিশকে মেরে... নাম করে বলছি, সেই আতাউরের বাড়িতে কাল তাহের আর ওই বালিশ চাটাদের প্রার্থী টাকা নিয়ে প্ল্যান করে আমাদের কর্মীদের যাদের যাদের নাম বলে দিচ্ছে... রেজিনগরে আমাদের ডিসটার্ব করছে। আমরা প্রচার করব না।'

হুমায়ুন বলেন, 'আমরা প্রচার করব না। ভোটে যা হবে, হবে।' পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

প্রার্থী গ্রেফতার, তারপরেই হুমায়ুনের ঘোষণা
রেজিনগরে নির্দল প্রার্থী হয়েছেন সইফুল ইসলাম। এই সইফুল ইসলাম হুমায়ুন কবীরের দলের ব্লক সভাপতির পদে রয়েছেন। তাঁকে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার করেছে বহরমপুর থানার পুলিশ। অন্য়দিকে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকেও পুরনো মামলার সূত্রে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  

এই ঘটনাতেই ক্ষুব্ধ হুমায়ুন। তাঁর অভিযোগ, ভোটের আগে পুলিশ তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের উপর ‘অত্যাচার’ করছে। সেই কারণেই প্রচারে না নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 

রেজিনগরে ৬ অক্টোবর ভোট
রেজিনগর উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই বেশ জটিল। ১৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। ওই দিন তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন বলে জানান। পরে অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ফের ভোটে লড়বেন বলে জানান।  

Advertisement

অন্য দিকে AJUP-র প্রার্থী হুমায়ুনের ছেলে গোলাম নবি আজাদ। এদিকে ভোটের আগে বিন্দুমাত্র প্রচার করবেন না বলে জানিয়ে দিলেন হুমায়ুন। সব মিলিয়ে বাংলায় উপনির্বাচনের আগে শেষ কবে এমন জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, মনে পড়ছে না রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।   

POST A COMMENT
Advertisement