কিইউ আর কোড পোস্ট করলেন সেলিম (ছবি: ফেসবুক)এতদিন কৌটো নিয়ে রাস্তায় রাস্তায়, বাড়ি বাড়ি গিয়ে অর্থ সংগ্রহ করতে দেখা যেত সিপিআইএম-কে। এখনও সেই ধারা বজায় রয়েছে। তবে সেই পুরনো পদ্ধতির পাশাপাশি এবার নির্বাচনী তহবিল গড়তে ডিজিটাল কৌশলও নিয়েছে এই বাম দল। এবার আধুনিক পদ্ধতিতে অর্থ সংগ্রহ শুরু করছে তারা। ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোটে লড়াইয়ের জন্য সাহায্য চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেদন করেছে তারা। দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম কিউআর কোড পোস্ট করে সাধারণ মানুষের কাছে অর্থ সাহায্য চেয়েছেন। আর সেই ঘটনা নিয়েই ইতিমধ্যেই ভল-মন্দ চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
পোস্টে কী লিখেছেন সেলিম?
পার্টির রাজ্য সম্পাদক সেলিম সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই পোস্টে লিখেছেন, 'আসন্ন রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রচারের সাহায্যে নির্বাচনী তহবিলে অর্থদান করে সাধ্যমতো সাহায্য করুন।'
এই পোস্টে একটি কিউআর কোড স্ক্যান করে অর্থ সাহায্য করার কথা বলা হয়েছে। কিআইআর কোডটির ঠিক নীচে ইউপিআইডি, অ্যাকাউন্টের নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং আইএফএসসি কোডের দেখা মিলছে।
এবার নতুন নীতি
সিপিআইএম-এর সঙ্গে বাংলার মানুষের পরিচয় বহু দশকের। গণআন্দোলন করা এই দল চিরকালই কৌটো নিয়ে অর্থ সংগ্রহ করেছে। সেই টাকাই ব্যবহার হয়েছে পার্টির মিটিং, মিছিল থেকে নির্বাচনী প্রচারে। আর এবারও সেই পথ ধরেই হেঁটেছে সিপিআইএম।
পার্টি সূত্রে খবর, এখনও প্রতিটি এরিয়া কমিটি নিজের মতো করে রাস্তায় বেরিয়ে বা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অর্থ সংগ্রহ করছে। এভাবেই গড়ে উঠছে নির্বাচনী তহবিল। তবে এই চিরাচরিত পথের পাশাপাশি নতুনভাবে অর্থ সাহায্য নিতে চাইছে সিপিআইএম। সেই মতো কিউআর কোড স্ক্যান করে সাহায্য করতে বলেছেন খোদ রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।
পোস্টে নিয়ে নানা মত...
যদিও এই পোস্টের কমেন্ট সেকশনে অনেকেই এই নয়া পদ্ধতি নিয়ে হাসাহাসি করতেও ছাড়েননি। একজন লিখেছেন, 'ফ্রম কৌটো টু ডিজিটাল, এটাই পরিবর্তন...'। আবার একজন লিখেছেন, 'চিন, উত্তর কোরিয়া, কিউবা, লাওস কি মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে?'
তবে অনেকেই এই নতুন পদ্ধতির প্রশংসাও করেছেন। একজন লিখেছেন, 'গরিব লোকের পার্টি , মেহনতি মানুষের পার্টি, ছোটলোক গরিব লোকের লোকের পার্টি , আমাদের গর্ব , RED SALUTE'। একজন লিখেছেন, 'সামর্থ্য মতো আপাতত পাঠালাম, জিতে আসুন, লাল সেলাম'
তবে কমেন্ট যাই হোক, ইতিমধ্যেই যে এই পদ্ধতি চর্চায় রয়েছে, সেটা বোঝাই যাচ্ছে।