ধর্ম পরিবর্তন ও জমির পাশাপাশি Uniform Civil Code বা UCC নিয়েও পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন শুভেন্দু। ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা নিয়ন্ত্রণে আইন আনা হবে। ফের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। জানান, আগামী দিনে ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। একই সঙ্গে Uniform Civil Code বা UCC নিয়েও পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এর আগেও ‘লাভ জিহাদ’ এবং ‘ল্যান্ড জিহাদ’ বন্ধে আইন করার কথা বলেছিলেন শুভেন্দু। এ দিন ফের সেই পরিকল্পনার কথা জানলেন।
শুভেন্দু বলেন, রাজ্যে কিছু স্থানে ধর্ম পরিবর্তনের প্রবণতা সরকারের নজরে রয়েছে। বিশেষ করে বাঁকুড়ার মতো এলাকায় বিষয়টি নিয়ে নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বেআইনিভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তৈরি এবং বিদেশ থেকে টাকা এনে এই ধরনের কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
ধর্ম পরিবর্তন নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?
ধর্ম পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, বাঁকুড়ায় ধর্ম পরিবর্তনের একটি প্রবণতা সরকারের নজরে এসেছে। সেই কারণে বিষয়টি নিয়ে আইন করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন।
তবে ঠিক কী ধরনের আইন আনা হবে, ধর্ম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয় নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত হবে, কিংবা জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে কী কী নতুন নিয়ম কার্যকর হবে; সে বিষয়ে এ দিন বিস্তারিত জানাননি তিনি।
এর আগে ‘লাভ জিহাদ’ এবং ‘ল্যান্ড জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু। এ দিন তাঁর বক্তব্যে ফের সেই প্রসঙ্গই উঠে এল।
UCC নিয়েও বড় ইঙ্গিত
ধর্ম পরিবর্তন ও জমির পাশাপাশি Uniform Civil Code বা UCC নিয়েও পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন শুভেন্দু।
পিছিয়ে পড়া এলাকার উন্নয়নে জোর
মঙ্গলবারের প্রশাসনিক বৈঠকে রাজ্যের পিছিয়ে থাকা এলাকাগুলির উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু। তাঁর কথায়, মোট ৭৬টি ব্লকের উন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। সামাজিক উন্নয়ন, মানুষের জীবন-জীবিকা এবং তফসিলি জাতি ও জনজাতির উন্নয়নের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এই এলাকাগুলির সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে।
শুভেন্দুর দাবি, পশ্চিমাঞ্চল এবং সুন্দরবন এলাকার উন্নয়নের জন্য আগামী তিন মাসের পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। পুজোর পর থেকে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।
পিছিয়ে থাকা গ্রামগুলিকে চিহ্নিত করে প্রতিটি অঞ্চলে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।