SIR হিয়ারিং হয়রানিতে মমতাকেই দায়ী করলেন শুভেন্দু, কেন?

SIR এর হিয়ারিংয়ে সাধারণ মানুষের যে অসুবিধা হচ্ছে, তার দায় নির্বাচন কমিশনের নয়। রাজ্য সরকারের। দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। মঙ্গলবার কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভার ধুবুলিয়ার সভায় যোগ দেন। সেখানেই শাসকদল তথা মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন।

Advertisement
SIR হিয়ারিং হয়রানিতে মমতাকেই দায়ী করলেন শুভেন্দু, কেন?মঙ্গলবার কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভার ধুবুলিয়ার সভায় যোগ দেন।
হাইলাইটস
  • SIR এর হিয়ারিংয়ে সাধারণ মানুষের যে অসুবিধা হচ্ছে, তার দায় নির্বাচন কমিশনের নয়।
  • দাবি শুভেন্দু অধিকারীর।
  • মঙ্গলবার কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভার ধুবুলিয়ার সভায় যোগ দেন।

SIR এর হিয়ারিংয়ে সাধারণ মানুষের যে অসুবিধা হচ্ছে, তার দায় নির্বাচন কমিশনের নয়। রাজ্য সরকারের। দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। মঙ্গলবার কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভার ধুবুলিয়ার সভায় যোগ দেন। সেখানেই শাসকদল তথা মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন। শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, 'আপনাদের কাছে আমি অনুরোধ করব, এসআইআর-কে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। হ্যাঁ, কিছু কিছু আমাদের হিন্দু লোকজন, সাধারণ মানুষ, ভারতীয়দের অসুবিধা হচ্ছে। তাঁদের হিয়ারিংয়ের নোটিস হচ্ছে। এর জন্য দায়ী কে? আমি বলব, ইলেকশন কমিশন দায়ী নয়। দায়ী হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন টিএমসি প্রশাসন।'  

শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, বিহারে যখন এসআইআর হয়েছিল, তখন রাজ্য সরকার পুরোপুরি সহযোগিতা করেছিল। তাঁর দাবি, বিহার সরকার বিএলও, এআরও-সহ প্রশাসনিক স্তরে সমস্ত রকম সাহায্য করেছিল।

শুভেন্দু বলেন, 'ইলেকশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া এবং রাজ্যের সিইও পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একাধিক বার চিঠি লিখে চার মাসের জন্য এক হাজার ডেটা এন্ট্রি অপারেটর চেয়েছিল। এতে সরকারের খরচ হত মাত্র ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা।'

কিন্তু সেই আবেদন সত্ত্বেও রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর সরকার সহায়তা দিতে অস্বীকার করেছে। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এর নেপথ্যে বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী মুসলিম, রোহিঙ্গা এবং মৃত ও ভুয়া ভোটারদের বাঁচানোর উদ্দেশ্য রয়েছে। ডেটা এন্ট্রি অপারেটর না দেওয়ার ফলেই একাধিক সমস্যা তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, 'আজ ডেটা এন্ট্রি অপারেটর না দেওয়ার ফলে কারও নাম DAS, সেটা DASS হয়ে যাচ্ছে। কারও ROY, রায় থেকে RAY হয়ে যাচ্ছে।' এই ধরনের বানান বিভ্রাট এবং তথ্যগত ভুলের কারণে সাধারণ মানুষকে হিয়ারিংয়ে যেতে হচ্ছে বলে দাবি করেন। 

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'আমি তারপরেও বলব, জনগণকে, ভারতীয়দের এটা রাষ্ট্রের লড়াই। পশ্চিমবঙ্গকে সুরক্ষিত রাখার লড়াই।' 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement