Raniganj News: SIR ক্যাম্প পরিদর্শনে TMC বিধায়ক, ধমক দিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পারিষদকে

রানিগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেসের SIR ক্যাম্পের কাজকর্ম দেখে অখুশি তৃণমূল জেলা সভাপতি, বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। আর এই নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পারিষদকে কড়া ভাষায় ধমক দিলেন জেলা সভাপতি। SIR ক্যাম্প পরিদর্শন করতে গিয়েই এই ঘটনা ঘটান নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

Advertisement
SIR ক্যাম্প পরিদর্শনে TMC বিধায়ক, ধমক দিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পারিষদকেSIR নিয়ে উত্তেজনা আসানসোলে
হাইলাইটস
  • রানিগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেসের SIR ক্যাম্পের কাজকর্ম দেখে অখুশি তৃণমূল জেলা সভাপতি, বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

রানিগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেসের SIR ক্যাম্পের  কাজকর্ম দেখে অখুশি তৃণমূল জেলা সভাপতি, বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। আর এই নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পারিষদকে কড়া ভাষায় ধমক দিলেন জেলা সভাপতি। SIR ক্যাম্প পরিদর্শন করতে গিয়েই এই ঘটনা ঘটান নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। আর এই ঘটনা ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

একদিকে চলছে আসানসোল পুরনিগমের বোর্ড মিটিং অন্যদিকে SIR ক্যাম্পে পরিদর্শন করছেন তৃণমূল জেলা সভাপতি।  তাঁর স্পষ্ট বার্তা কাউন্সিলারের চাকরিটা মৌরসিপাট্টা নয়। ভোটযুদ্ধে শামিল না হলে পরে অসুবিধায় পড়বেন। দলীয় কার্যালয় থেকে ফোনের স্পিকার অন করে স্বাস্থ্য মেয়র পারিষদকে ধমক দেন। বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ফোনে বলেন, বোর্ড মিটিং পরে করবেন। ওসব বন্ধ রাখুন এখন। ইমিডিয়েট আসুন। সব ছেড়ে এখনই ছুটে আসুন SIR ক্যাম্পে। এই ঘটনা ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। যাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল বিধায়ককে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। প্রাক্তন মেয়র বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির দাবি, শহরের স্বাস্থ্য নিয়ে বোর্ড মিটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ওই সবের গুরুত্ব বোঝেন না। 

মেয়র পারিষদ দিব্যেন্দু ভগতের দাবি, তাঁকে নিয়ে জেলা সভাপতিকে ভুল বুঝিয়ে উত্তেজিত করা হয়েছে।  অন্যদের দ্বারা প্রভাবিত হলে দলেরই ক্ষতি। প্রসঙ্গত, উল্লেখ্য SIR নিয়ে দলের নেতা কর্মীদের বিশেষ ভাবে সচেষ্ট হতে বলেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। অভিষেক ব্যানার্জির ভার্চুয়াল বৈঠকের পর গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছেন পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। কিন্তু  বিএলএ টু দের সঙ্গে বৈঠক করতেই ধরা পড়েছে SIR নিয়ে ফাঁক-ফোকর রয়েছে। দলের নেতা কর্মীদের কাছে ঠিকঠাক তথ্য নেই। তখনই মেজাজ হারান তৃণমূল জেলা সভাপতি।

রিপোর্টারঃ অনিল গিরি
 

POST A COMMENT
Advertisement