বাসন্তীতে মহিলাদের মার।-ভিডিও থেকে নেওয়া ছবিজমি দখলকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনা। জেলার বাসন্তী থানার অন্তর্গত একটি এলাকায় জমি বিরোধের প্রতিবাদ করায় এক বাঙালি মহিলা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের উপর নির্মম হামলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামনে আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি বাংলা ডট আজতক ডট ইন।
স্থানীয় সূত্র এবং ভুক্তভোগী পরিবারের দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যক্তিগত জমি থেকে জোর করে মাটি কাটার প্রতিবাদ জানাতেই এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। অভিযোগ, প্রতিবেশী কয়েকজন আপত্তি উপেক্ষা করে ওই জমি থেকে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন। আটকাতে গেলে প্রথমে বচসা এবং পরে তা হিংসার আকার নেয়।
No woman is safe in Mamata Banerjee's West Bengal !!!
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) December 31, 2025
Disturbing visuals from Uttar Bhangnamari village at Basanti Block in the Canning Subdivision of South 24 Parganas district.
As per the complainant's accusation Jalil Laskar, Munna Laskar, Arif Laskar and others brutality… pic.twitter.com/mGdniGgYY7
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একাধিক ব্যক্তি লাঠি, বাঁশের খুঁটি এবং বিভিন্ন সরঞ্জামের হাতল দিয়ে মহিলা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বেধড়ক মারধর করছে। হামলার তীব্রতায় রাস্তায় পড়ে যান আহতরা।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় অন্তত চার জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের মাথায় আঘাত লেগেছে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে বাসন্তী ব্লক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মূল অভিযোগকারী মহিলা ও তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্য। পরিবারের লোকজনই তাঁদের প্রাথমিকভাবে চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, বাসন্তী থানায় এই ঘটনায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অংশ হিসেবে ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এবং হামলাকারীদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি পোস্ট করে রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি রাজ্য সরকারের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কড়া সমালোচনা করেন এবং দাবি করেন, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার জোরেই এই ধরনের হামলা ঘটছে। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও সত্যতা এখনও মেলেনি।