১৯ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যের একাধিক জেলায় এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। South Bengal weather April 2026: দক্ষিণবঙ্গে ফের বাড়তে চলেছে গরমের দাপট। বাড়বে আর্দ্রতা। অস্বস্তিকর 'হট অ্যান্ড হিউমিড' পরিস্থিতি থাকবে বেশ কয়েকটি জায়গায়। ১৯ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যের একাধিক জেলায় এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এমনটাই জানিয়ে সতর্ক করল India Meteorological Department-এর কলকাতা দফতর। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল, দুপুর ১টা) প্রকাশিত স্পেশাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই দিনের তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। তার সঙ্গে পশ্চিমী ও উত্তর-পশ্চিমী শুকনো হাওয়া এবং রোদের তাপ বাড়বে। এর ফলে গরম ও আর্দ্রতা মিলিয়ে চরম অস্বস্তি তৈরি হবে।
কোন কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব?
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায় সবচেয়ে বেশি 'হট অ্যান্ড হিউমিড' তৈরি হতে পারে। এই জেলাগুলিতে ১৯ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা তৈরি হতে পারে।
কোথাও ঝড়-বৃষ্টি, কোথাও শুকনো গরম
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়া (৩০-৪০ কিমি/ঘণ্টা) বইতে পারে।
১৮ এপ্রিল বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া-সহ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি ও ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই শুকনো আবহাওয়া থাকবে।
১৯ এপ্রিল থেকে পরিস্থিতি বদলাবে। কিছু জেলায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। তবে বেশিরভাগ জায়গায় গরম বাড়বে।
২০ ও ২১ এপ্রিল প্রায় গোটা দক্ষিণবঙ্গেই শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। বাড়বে গরমের কষ্ট।
২২ ও ২৩ এপ্রিল আবার কিছু জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। তবে গরম ও আর্দ্রতার প্রভাব কমবে না বলেই জানানো হয়েছে।
উত্তরবঙ্গের ছবি আলাদা
উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া তুলনামূলকভাবে ভালই থাকবে। তবে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিপাতও হতে পারে।
গরম বাড়ছে কেন?
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বিহার থেকে ছত্তীসগঢ় পর্যন্ত একটি ট্রফ লাইন তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ওড়িশার উপকূলে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। এর ফলে দক্ষিণবঙ্গে শুকনো গরম হাওয়া ঢুকছে। তাপমাত্রা বাড়ছে।
দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদন IMD কলকাতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রাপ্ত স্পেশাল বুলেটিন অনুযায়ী লেখা।