দুর্গাপুজোকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে বড় পরিকল্পনা রাজ্য সরকারের, বাড়বে আন্তর্জাতিক প্রচার

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোকে আন্তর্জাতিক স্তরে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে বড়সড় উদ্যোগ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। বিশ্বজুড়ে দুর্গাপুজোর পরিচিতি বাড়ানো এবং আরও বেশি বিদেশি পর্যটককে আকৃষ্ট করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। বুধবার এমনই ইঙ্গিত দিলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ।

Advertisement
দুর্গাপুজোকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে বড় পরিকল্পনা রাজ্য সরকারের, বাড়বে আন্তর্জাতিক প্রচার
হাইলাইটস
  • বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোকে আন্তর্জাতিক স্তরে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে বড়সড় উদ্যোগ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার।
  • বিশ্বজুড়ে দুর্গাপুজোর পরিচিতি বাড়ানো এবং আরও বেশি বিদেশি পর্যটককে আকৃষ্ট করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোকে আন্তর্জাতিক স্তরে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে বড়সড় উদ্যোগ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। বিশ্বজুড়ে দুর্গাপুজোর পরিচিতি বাড়ানো এবং আরও বেশি বিদেশি পর্যটককে আকৃষ্ট করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। বুধবার এমনই ইঙ্গিত দিলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ।

তিনি জানান, দুর্গাপুজোকে একটি ‘গ্লোবাল ফেস্টিভ্যাল’ বা বিশ্বমানের উৎসব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। শংকর ঘোষ বলেন, “আমরা চাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ দুর্গাপুজো সম্পর্কে জানুক। যেমন বহু বাঙালি ব্রাজিল বা ফ্রান্সের নানা উৎসব সম্পর্কে অবগত, তেমনভাবেই বাঙালির এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবের প্রচার হোক আন্তর্জাতিক পরিসরে।”

মন্ত্রী আরও জানান, বিদেশি পর্যটকদের পাশাপাশি প্রবাসী ভারতীয়দেরও এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করবেন তিনি। দুর্গাপুজো কার্নিভ্যালের আয়োজন করা হবে কি না, সে বিষয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানান শংকর ঘোষ।

বুধবার পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন পর্যটনমন্ত্রী। সেখানে তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি বিস্তৃত রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য হলো পর্যটন খাতকে আরও সংগঠিত ও আধুনিক করে তোলা।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংস্থা, ব্যবসায়ী ও পরিষেবা প্রদানকারীদের নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা হবে। নথিভুক্ত সংস্থাগুলিকে সরকারি প্রচারের আওতায় আনা হবে এবং পর্যটনের সুবিধা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দেওয়ার রূপরেখাও তৈরি করা হবে।

এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে পশ্চিমবঙ্গকে পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার হিসেবে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বাংলার ব্র্যান্ডিং, পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে পর্যটন শিল্পকে আরও শক্তিশালী করার জন্যও একটি বিশেষ ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করা হচ্ছে।

রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন পর্যটন শিল্পের প্রতিনিধিরা। ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ট্যুর অপারেটর্স জানিয়েছে, পর্যটন শিল্পের বিকাশে এই ধরনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ এবং তা রাজ্যের অর্থনীতির জন্যও সুফল বয়ে আনবে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement