Sudip Bandyopadhyay: TMC-র বাংলা ও দিল্লির বিদ্রোহীরা কীভাবে কাছাকাছি হবেন? সুদীপদের প্ল্যান শুরু

২০ জুলাই সংসদে অধিবেশন শুরু হবে। ২১ জুলাই আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস পালনের সম্ভাবনা। ওই সময়ের আগেই যাবতীয় স্ট্র্যাটেজি ও অঙ্ক সেরে ফেলতে চাইছেন বিদ্রোহীরা।

Advertisement
 TMC-র বাংলা ও দিল্লির বিদ্রোহীরা কীভাবে কাছাকাছি হবেন? সুদীপদের প্ল্যান শুরু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
হাইলাইটস
  • যাবতীয় স্ট্র্যাটেজি ও অঙ্ক সেরে ফেলতে চাইছেন বিদ্রোহীরা
  • বিদ্রোহীদের ভূমিকা কী হবে? 
  • ব্যাপারটা অনেক দূর এগিয়েছে

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভায় ৬০ থেকে ৬৫ জন বিদ্রোহী বিধায়ক বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নিজেদের আসল তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন। অন্যদিকে দিল্লিতেও তৃণমূলের টিকিটে জেতা ২০ জন সাংসদ বিদ্রোহ ঘোষণা করে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টির (NCPI) সঙ্গে জুড়ে গিয়েছেন। তাঁদের দাবি, সংসদে এনডিএ জোটকে তাঁরা সমর্থন করবেন। এহেন পরিস্থিতিতে দিল্লি ও পশ্চিমবঙ্গের বিদ্রোহীরা কীভাবে কাছাকাছি আসতে পারে, তার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানালেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

যাবতীয় স্ট্র্যাটেজি ও অঙ্ক সেরে ফেলতে চাইছেন বিদ্রোহীরা

২০ জুলাই সংসদে অধিবেশন শুরু হবে। ২১ জুলাই আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস পালনের সম্ভাবনা। ওই সময়ের আগেই যাবতীয় স্ট্র্যাটেজি ও অঙ্ক সেরে ফেলতে চাইছেন বিদ্রোহীরা। সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে ইঙ্গিত, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভায় যে ভাবে বিদ্রোহী বিধায়করা যে ভাবে সংখ্যার বিচারে নিজেদের আসল তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করবেন, ঠিক সে ভাবেই NCPI-তে মিশে যাওয়া বিদ্রোহী সাংসদরা সংসদে নিজেদের আসল ও সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল কংগ্রেস দাবি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি দেবে।   

বিদ্রোহীদের ভূমিকা কী হবে? 

সুদীপের কথায়, 'পরশু দিন একটা পদক্ষেপ শেষ হয়েছে। এ বার সকলের ফিরে যাওয়ার পালা। এরপর আবার দ্বিতীয় দফায় ডাক এলে তখন কথা হবে। ২০ জুলাই লোকসভা খুলছে। লোকসভা খোলার আগে পরবর্তী পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করা হবে। আমার পক্ষে নিয়মিত দিল্লি আসা সম্ভব নয়।' এ বার বাদল অধিবেশন বসলেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র সহ বাকি তৃণমূল সাংসদরাও তো নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেস বলেই লোকসভায় দাবি করবেন। সে ক্ষেত্রে বিদ্রোহীদের ভূমিকা কী হবে? 

ব্যাপারটা অনেক দূর এগিয়েছে

এই বিষয়ে সুদীপের বক্তব্য, 'এগুলি কাকলি ঘোষদস্তিদার, শতাব্দী রায়, মূলত এঁরা দেখাশোনা করবে। কিন্তু ব্যাপারটা অনেক দূর এগিয়েছে। এখন বিধানসভাতেও একই ধরনের একটা প্রস্তুতি চলছে। উভয় পক্ষ কীভাবে বসবে, কাছাকাছি আসবে, এই দলের পরবর্তী কার্যক্রম কী হবে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক চিহ্ন, অর্থ, সম্পদ নিয়ে কী পদক্ষেপ হবে, আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বলে, এগুলি সবই আদালতে নিষ্পত্তি হবে। লোকসভার স্পিকারের যা কাজ, ব্লক তৈরি করে দেওয়া, পার্টি অফিস বরাদ্দ করা, সেই কাজগুলি তিনি দ্রুত সম্পন্ন করবেন।'

Advertisement

সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহী শিবিরে গেলেও তাঁর স্ত্রী বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। 

POST A COMMENT
Advertisement