EX Minister Sujit Bose Arrest: অযোগ্যদের চাকরি, প্রচুর নিয়ম বহির্ভুত সুপারিশ, সুজিতের অবৈধ সম্পত্তিতে নজর ED-র

EX Minister Sujit Bose Arrest: তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, দক্ষিণ দমদম পুরসভার বিভিন্ন পদে অন্তত ১৫০ জন প্রার্থীর জন্য নিয়মবহির্ভূতভাবে সুপারিশ করেছিলেন সুজিতবাবু। অভিযোগ, এই বিপুল সংখ্যক অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে একাধিক ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেই সব সম্পত্তির হদিশ পেতে কোমর বেঁধে নামছে ইডি।

Advertisement
অযোগ্যদের চাকরি, প্রচুর নিয়ম বহির্ভুত সুপারিশ, সুজিতের অবৈধ সম্পত্তিতে নজর ED-রED Raids Sujit Bose Arrest:গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বোস

Municipal Recruitment Scam West Bengal Sujit Bose Arrest: বিধাননগর হাতছাড়া হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার শ্রীঘরে ঠাঁই হলো রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রীর। সোমবার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিত বসুকে গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এদিন সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ হাতে নিয়েই এই গ্রেফতারি। মঙ্গলবার সকালে তাঁকে কলকাতার বিশেষ আদালতে পেশ করা হবে।

১৫০ প্রার্থীর অবৈধ সুপারিশ
তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, দক্ষিণ দমদম পুরসভার বিভিন্ন পদে অন্তত ১৫০ জন প্রার্থীর জন্য নিয়মবহির্ভূতভাবে সুপারিশ করেছিলেন সুজিতবাবু। অভিযোগ, এই বিপুল সংখ্যক অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে একাধিক ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেই সব সম্পত্তির হদিশ পেতে কোমর বেঁধে নামছে ইডি। শুধু তাই নয়, প্রাক্তন মন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণাধীন বেশ কিছু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ নগদ জমার প্রমাণও মিলেছে বলে ইডি সূত্রে দাবি। গত ২৫ অক্টোবর সুজিত বসুর অফিস ও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৪৫ লক্ষ টাকা নগদ এবং বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর নথি উদ্ধার করেছিলেন আধিকারিকরা।

ওএমআর কারচুপি
পুর-নিয়োগ দুর্নীতির জাল যে কতদূর বিস্তৃত, তা প্রথম সামনে আসে ২০২৩ সালে অয়ন শীলের গ্রেফতারির পর। অয়নের সংস্থা ‘এবিএস ইনফোজোন প্রাইভেট লিমিটেড’-কে প্রশ্নপত্র ছাপা ও ওএমআর শিট মূল্যায়নের একক বরাত দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ওএমআর শিটে কারচুপি করে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দিতেন অয়ন। দক্ষিণ দমদম ছাড়াও কামারহাটি, বরানগর, হালিশহর ও টিটাগড়ের মতো পুরসভাগুলিতে মজদুর, সাফাইকর্মী ও ক্লার্ক নিয়োগেও একই কায়দায় জালিয়াতি হয়েছে।

এড়াতে পারলেন না হাজিরা
ভোটের আগে শরীর খারাপ আর নির্বাচনের ব্যস্ততার অজুহাতে একাধিকবার ইডির সমন এড়িয়েছিলেন সুজিত বসু। কিন্তু এবার আর শেষ রক্ষা হলো না। হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই এফআইআর দায়ের করার পর থেকেই ইডির নজরে ছিলেন এই দাপুটে নেতা। রথীন ঘোষের মতো আরও অনেক প্রভাবশালীর নাম এই মামলায় জড়ালেও, সুজিতের গ্রেফতারি এই তদন্তে বড় সাফল্য বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এখন দেখার, আদালতের সওয়ালে প্রাক্তন মন্ত্রীর তরফে কী যুক্তি সাজানো হয়।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement