Supreme Court: বাংলায় SIR নথি যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত মেটাতে ভিনরাজ্যের বিচারক, বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জানান, প্রতিদিন যদি ২৫০টি করে মামলার নিষ্পত্তি করা হয়, তা হলেও সব কাজ শেষ করতে প্রায় ৮০ দিন লেগে যাবে। অথচ হাতে সময় খুবই কম। তাই আদালত স্পষ্ট করে দেয়, অতিরিক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিক নিয়োগের ক্ষেত্রে ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারক আনা যেতে পারে।

Advertisement
বাংলায় SIR নথি যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত মেটাতে ভিনরাজ্যের বিচারক, বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টেরসুপ্রিম কোর্ট।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • রাজ্যে এসআইআর সংক্রান্ত বিপুল বকেয়া কাজ ঘিরে মঙ্গলবার জরুরি শুনানিতে বসেছিল সুপ্রিম কোর্ট।
  • কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের পাঠানো স্টেটাস রিপোর্টের ভিত্তিতেই দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ বিষয়টি শোনে।

রাজ্যে এসআইআর সংক্রান্ত বিপুল বকেয়া কাজ ঘিরে মঙ্গলবার জরুরি শুনানিতে বসেছিল সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের পাঠানো স্টেটাস রিপোর্টের ভিত্তিতেই দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ বিষয়টি শোনে। রিপোর্টে জানানো হয়, নথি যাচাই ও নিষ্পত্তির কাজ শুরু হলেও বিচারকের সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। সেই প্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে প্রয়োজন হলে ভিন্‌রাজ্য থেকেও বিচারক নিয়োগ করা যাবে।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জানান, প্রতিদিন যদি ২৫০টি করে মামলার নিষ্পত্তি করা হয়, তা হলেও সব কাজ শেষ করতে প্রায় ৮০ দিন লেগে যাবে। অথচ হাতে সময় খুবই কম। তাই আদালত স্পষ্ট করে দেয়, অতিরিক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিক নিয়োগের ক্ষেত্রে ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারক আনা যেতে পারে। পাশাপাশি তিন বছর বা তার বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিভিল জজ (সিনিয়র ও জুনিয়র ডিভিশন) এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদেরও এই কাজে যুক্ত করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিদেরও অনুরোধ করেছে, কলকাতা হাই কোর্টের তরফে কোনও আবেদন এলে তা দ্রুত ও সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করতে। তবে রাজ্য সরকারের তরফে ভাষাগত সমস্যার আশঙ্কা তুলে ধরা হয়। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অন্য রাজ্য থেকে এলে বিচারকেরা বাংলা বুঝতে অসুবিধায় পড়তে পারেন। এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মন্তব্য করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিকল্প কম। অতীতে এই রাজ্যগুলি একই প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ ছিল, সেই অভিজ্ঞতা কিছুটা হলেও সহায়ক হতে পারে।

সুপ্রিম কোর্টে পেশ হওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্যে প্রায় ৮০ লক্ষ নাম ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ ও ‘আনম্যাপড’ তালিকায় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৫০ লক্ষ দাবির যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেলা বিচারক ও অতিরিক্ত জেলা বিচারক পদমর্যাদার প্রায় ২৫০ জন আধিকারিককে। ফলে জনবল যে অপর্যাপ্ত, তা স্পষ্ট। তবে কাদের এই কাজে নিযুক্ত করা হবে, সেই সিদ্ধান্তের দায়িত্ব কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির হাতেই ছেড়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement