শনিবার বাগনানে নিহত বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে-র বাড়িতে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। বাগনানে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে 'পাতাল থেকেও তুলে এনে' গ্রেফতার করতে হবে। শনিবার নিহত প্রশান্ত দে-র বাড়ি গিয়ে পুলিশকে এমনই কড়া নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে নিহতের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শনিবার বিকেলে বাগনানের পাইকপাড়া গ্রামে নিহত বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে-র বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমবেদনা জানান। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। বলেন, 'প্রশান্ত খুনের খবর পাওয়ার পর থেকেই আমি বিষয়টির উপর নজর রাখছিলাম। সিট গঠন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। ৫১ জনের নামে FIR হয়েছে। ইতিমধ্যে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি এসপিকে বলেছি, দরকার হলে পাতাল থেকেও অভিযুক্তদের তুলে এনে গ্রেফতার করতে হবে। পুলিশমন্ত্রী হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব।'
পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস
নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়েও আশ্বাস দেন শুভেন্দু। জানান, পরিবারের এক সদস্যকে স্থানীয় বিডিও অফিসে চুক্তিভিত্তিক চাকরি দেওয়া হবে। পাশাপাশি নিহতের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের যাতে কোনও আর্থিক সমস্যা না হয়, সে বিষয়েও সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানান।
১৭ জুন খুন হন প্রশান্ত দে
গত ১৭ জুন বাগনানের পাইকপাড়া গ্রামের বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুন হন। ঘটনায় বিজেপির তরফে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দায়ী করা হয়। ঘটনার দু'দিন পর তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।
শনিবার কাঁথিতে নিজের বাড়িতে ফেরার পথে বাগনানে গিয়ে নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়, অমিত সামন্ত এবং চিরণ বেরা।
সিআইডি তদন্তে গ্রেফতার একাধিক
সরকারের দাবি, বাগনানের ঘটনায় 'জিরো টলারেন্স' নীতি নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে সিআইডি কাজ করছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার হতে পারে বলে খবর।