accidentস্কুল চলাকালীন মারাত্মক দুর্ঘটনা হুগলির পোলবায়। ক্লাস চলাকালীন হঠাৎই ছাত্রদের মাথার ওপর সিলিং থেকে খুলে পড়ল সিলিং ফ্যান। আহত হন তিন ছাত্র। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ছাত্রদের এবং অভিভাবকদের মধ্যে। হুগলির পোলবার বেলগড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে কচিকাঁচাদের নিরাপত্তা।
কেমন আছে তিন ছাত্র?
তিন ছাত্রের মাথার উপর পড়ে। রণজিৎ সাঁতরা নামে ছাত্রটির মাথা ফেটে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। নিয়ে যাওয়া হয় পান্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে তার মাথায় পাঁচটি সেলাই দিতে হয়। আহত অন্য দুই ছাত্র আকাশ এবং ঋক সাঁতরাকেও স্থানীয় পোলবা গ্রামীণ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
কেন ঘটল এমন ঘটনা?
এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে হুগলির পোলবা থানা অন্তর্গত বেলঘড়ি প্রাইমারি স্কুলে। স্কুল চলাকালীন হঠাতই সিলিং থেকে ফ্যান খুলে ছাত্রদের মাথায় ওপর এসে পড়ে সেই ঘটনায় মোট তিনজন ছাত্র আহত হয়ে যান। তাদেরকে তড়িঘড়ি পোলবা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা পরে দুজন ছাত্রকে ছেড়ে দেওয়া হয় কিন্তু একজন ছাত্র বর্তমানে চিকিৎসাধীন। স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এরপর থেকে এদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও আতঙ্কে স্কুলের ছাত্ররা ও তাদের অভিভাবকরা।
ক্ষোভ স্কুলের বিরুদ্ধে
শনিবার অর্ধেক স্কুল হয়। সে কারণে ছাত্রদের উপস্থিতি সেরকম ছিল না। কিন্তু যদি সাধারণ দিনের মতো স্কুল চলত তাহলে এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হতে পারত। এই ঘটনার পরে ছাত্রদের এবং তাদের অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক। ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন তাঁরা। তাদের দাবি, 'স্কুল কর্তৃপক্ষকে ছাত্রদের জীবন নিয়ে এইভাবে ছিনিমিনি খেলার কোন অধিকার নেই। আগামী দিনে তাদেরকে আরও বেশি সতর্ক হওয়া দরকার।' বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলীপ দাস বলেন, “চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস চলার সময় হঠাৎ ফ্যানটি খুলে পড়ে। যার ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহত ছাত্রদের প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। রণজিতের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে পোলবা গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার মাথায় সেলাই দিতে হয়।”