দু’টি ঘটনাতেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল।কালীপুজোর সন্ধ্যায় রাজ্যে পর পর তিনটি অগ্নিকাণ্ড। প্রথমটি কলকাতার বেলেঘাটা মেন রোডে আগুন লাগল একটি বাড়িতে। অন্যদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে একটি বাইকের শোরুম আগুন লাগে। দু’টি ঘটনাতেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল। তবে কাঁথির ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি এদিন টিটাগড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে যায় একাধিক বাড়ি। একটি গুদাম থেকে আগুনের সূত্রপাত। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মতে, একটি জ্বলন্ত আতশবাজি গুদামের ভেতরে ঢুকে পড়ে। তার থেকেই সম্ভবত আগুন লাগে।
প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত টিটাগড়ে দমকল বাহিনীর ৩টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।
রবিবার সন্ধ্যায় বেলেঘাটা মেন রোডের একটি বাড়ি থেকে প্রথমে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুনের শিখা চোখে পড়ে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর দেওয়া হয় দমকলকে। প্রথমে একটি ইঞ্জিন পাঠানো হলেও আগুনের ভয়াবহতা বুঝে পরে আরও দু’টি ইঞ্জিন আনা হয়। মোট তিনটি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু হয়।
স্থানীয়দের দাবি, অগ্নিকাণ্ডের সময় বাড়িটিতে কেউ ছিলেন না। ফলে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা এড়ানো গিয়েছে। তবে কী ভাবে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল আধিকারিকরা। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আশপাশের এলাকায় সতর্কতা নেওয়া হয়। ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য বেলেঘাটা মেন রোডে যান চলাচলও ব্যাহত হয়।
একই সন্ধ্যায় কাঁথি পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বাইকের শোরুমে আগুন লাগে। শোরুম কর্তৃপক্ষের দাবি, আগুনে প্রায় ৪০টি নতুন বাইক পুড়ে গিয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীর বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা। খবর পেয়ে দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় যান কাঁথির বিধায়ক তথা রাজ্যের সেচ ও জলপথ বিভাগের মন্ত্রী অরূপকুমার দাস। তিনি জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখছে দমকল। দু’টি ঘটনায় আগুন লাগার কারণ এখনও অজানা। তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।