উত্তরপাড়ার তৃণমূল কাউন্সিলারকে মারধরের অভিযোগ, রেহাই পেলেন না অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীও

জানা গিয়েছে, স্থানীয় বিজেপির মণ্ডল সভাপতির নেতৃত্বে প্রায় তিরিশটির মতো বাইক নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। উত্তরপাড়া পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অর্ণব রায়। কয়েকদিন আগে মাখলায় তাঁর পার্টি অফিস বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। শনিবার, ১৩ জুন সন্ধ্যায় সেখানেই বসেছিলেন কাউন্সিলর।

Advertisement
উত্তরপাড়ার তৃণমূল কাউন্সিলারকে মারধরের অভিযোগ, রেহাই পেলেন না অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীওআক্রান্ত তৃণমূল কাউন্সিলর
হাইলাইটস
  • হুগলির উত্তরপাড়ার তৃণমূল কাউন্সিলর অর্ণব রায় ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে।

হুগলির উত্তরপাড়ার তৃণমূল কাউন্সিলর অর্ণব রায় ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। শনিবার এই ঘটনা ঘটায় তাব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। হামলার জেরে তাঁর হাত ও ঘাড়ে চোট লেগেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তবে তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সুস্থ রয়েছেন। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

জানা গিয়েছে, স্থানীয় বিজেপির মণ্ডল সভাপতির নেতৃত্বে প্রায় তিরিশটির মতো বাইক নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। উত্তরপাড়া পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অর্ণব রায়। কয়েকদিন আগে মাখলায় তাঁর পার্টি অফিস বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। শনিবার, ১৩ জুন  সন্ধ্যায় সেখানেই বসেছিলেন কাউন্সিলর। হঠাৎই সেখানে হাজির হয় বাইক বাহিনী। ফেলে মারা হয় কাউন্সিলরকে। তাঁর স্ত্রী, মা বাঁচাতে গেলে তাঁদেরও মারা হয়, ডিম ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। প্রত্যেকের হাতে লোহার রড, চেন, লাঠি, বাঁশ ছিল বলে দাবি অর্ণবের। উত্তরপাড়া হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর থানায় অভিযোগ জানান কাউন্সিলর। অর্ণব বলেন, গলা টিপে ধরে গৌতম মাঝি আর অর্পিতা রায় আমাকে আমার স্ত্রীকে মেরেছে। আমার মা আমাদের বাঁচিয়েছে।

কাউন্সিলরের মা সন্ধ্যা রায় বলেন, আমি বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখি ৩০ জন লোক আমার ছেলেকে ধরে মারছে। আমার ছেলে কিছু করেনি। তাও আমি বলেছি যদি কিছু করে থাকে আইন অনুযায়ী সাজা দিন। মারধর করছেন কেন। যদিও এই বিষয়ে ক্যামেরার সামনে মুখ খোলেননি বিজেপি নেতা। তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেন বিজেপি নেতা গৌতম মাঝি। তিনি ফোনে জানান, জনরোষ নাকি নিজেদের মধ্যে কোনও গণ্ডগোল জানিনা। উত্তরপাড়ায় গো হারা হেরেছে তৃণমূল। যে কাউন্সিলর বলছেন তার ওয়ার্ডেরও হেরেছে। এখন একটা হেরো দলের লোক কী বলল সেটার মানে নেই। ওখানে আমি ছিলাম এমন কোনও প্রমাণ দেখাতে পারবে না। আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন উত্তরপাড়া থানার এক আধিকারিক।

Advertisement

রিপোর্টারঃ পার্থ রাহা
 

POST A COMMENT
Advertisement