বিদ্রোহী সাংসদদের নিশানা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়েরবিধানসভায় যখন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের পৃথক দল গঠন ও বিরোধী দলনেতা নির্বাচন হয়ে গিয়েছে, তখন দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ছত্রভঙ্গ করছেন আরেক তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে, একটু পরেই কাকলির বাড়িতে বিশেষ মিটিং করছেন ওই বিদ্রোহী সাংসদরা।
তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা একধাক্কায় ২০ জন কমে যাচ্ছে
এখনও পর্যন্ত ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাঁরা NDA জোটে যাচ্ছেন। অর্থাত্ দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা একধাক্কায় ২০ জন কমে যাচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছেন টলিউড অভিনেতা দেবও। দেবকে নাকি সোমবার গাল টিপে আদরও করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, কয়েকজন সাংসদ এখনও চুপ আছেন। তাঁদের গতিবিধি বোঝা যাচ্ছে না। যদিও ঋতব্রত, কাকলিদের দাবি, সংখ্যা আরও বাড়বে।
#WATCH दिल्ली: लोकसभा सांसद काकोली घोष ने कहा, "हम 20 सांसदों ने स्पीकर से अलग बैठने की व्यवस्था करने का अनुरोध किया है। हम पश्चिम बंगाल के विकास के लिए केंद्र और राज्य सरकार के साथ मिलकर काम करेंगे। साथ ही, हम पिछले कुछ वर्षों में पश्चिम बंगाल में फैली अराजकता, कुशासन और… pic.twitter.com/NrpR1HIMY4
— ANI_HindiNews (@AHindinews) June 8, 2026
'আপনারাই তো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে যুবরাজ বানিয়েছিলেন'
এহেন পরিস্থিতিতে এবার বিদ্রোহী সাংসদদের নিশানা করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, সবার দুর্নীতির রিপোর্ট রয়েছে বিজেপি-র কাছে। এদের ভাল করে চেনে বিজেপি। কল্যাণের কথায়, 'আপনারাই তো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে যুবরাজ বানিয়েছিলেন। আপনারাই তো ওঁকে সেনাপতি বানিয়েছিলেন। আসলে এরা সবাই ১৫ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা অভ্যাস হয়ে গিয়েছে বলে আজও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। পাওয়ার ছাড়া এরা থাকতে পারে না।'
#WATCH | Delhi | On rebellion in the party, TMC MP Kalyan Banerjee says, "You (BJP) have the CM, ED, CBI and other powers, but I have 'Maa, Maati, Maanush', my party, my party workers, and people of West Bengal." pic.twitter.com/pjtLj6RCMs
— ANI (@ANI) June 9, 2026
বিজেপি এদের নেবে না: কল্যাণ
বিদ্রোহী সাংসদদের গদ্দার কটাক্ষ করে কল্যাণ বলছেন, 'বিজেপি এদের নেবে না। বিজেপি খুব ভাল করে এদের চেনে। সবার রিপোর্ট, সবার দুর্নীতির রিপোর্ট বিজেপির কাছে আছে। বিজেপি কলঙ্কিত লোকেদের নেবে না জেনে রাখুন। এখন যা শুনছি, বলছে, আমরা উন্নয়নের জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করব। কে করতে বাধা দিয়েছে? এরা যখন ভাষণ দিত, কেন্দ্রের প্রকল্প কেন্দ্রের কোনও প্রকল্পের প্রশংসা করেছে? যদি বলেন, পার্টি থেকে এটা করা যায় না, তাহলে আজও করা যায় না। ক্ষমতা থাকলে জিতে এসো বিজেপির টিকিটে। এরা গদ্দার, বিশ্বাসঘাতক। এরা সুখের পায়রা।'
সুখেন্দুশেখর রায়ের পদত্যাগ ইস্যুতে সোমবার রাতে কল্যাণ বলেছিলেন, 'নীতিগত দিক থেকে ব্যক্তিগত ভাবে সুখেন্দুশেখর রায়ের প্রশংসা করি। কারণ তিনি পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু এস. এস. রায়ের মতো লোকসভার সাংসদরাও কেন পদত্যাগ করছেন না? যদি তাঁদের কাছে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যা থাকে, তা হলে তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না কেন? কারণ বিজেপি তাঁদের নেবে না। আলাদা ব্লক বলে কিছু হয় না।'