
তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের আবহে দলের আসানসোলের সাংসদ ও বলিউডের ‘শটগান’ শত্রুঘ্ন সিনহার নীরবতা এখন রাজনৈতিক মহলে বড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। দলের একাংশ যখন প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানাচ্ছে, তখন তাঁর কোনও মন্তব্য বা অবস্থান না নেওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।
কাকলি ঘোষ দস্তিদার, কীর্তি আজাদ, মহুয়া মৈত্রদের অবস্থান ঘিরে যখন তৃণমূলের ভিতরে চাপা উত্তেজনা চলছে, তখন শত্রুঘ্ন সিনহার নীরবতা যেন আরও রহস্য বাড়াচ্ছে। অভিজ্ঞ রাজনীতিক হিসেবে তাঁর এই নীরবতাকে অনেকেই ‘কৌশলগত অপেক্ষা’ বলে মনে করছেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, সিনহা আপাতত পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রকাশ্যে কোনও পক্ষ না নেওয়ায় বোঝা যাচ্ছে, তিনি এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি বা পরিস্থিতির পরিণতি বোঝার চেষ্টা করছেন।
অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ও অতীত রাজনৈতিক সমীকরণও এই নীরবতার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গেও তাঁর কোনও প্রকাশ্য দূরত্ব বা ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত নেই, যা জল্পনাকে আরও বাড়িয়েছে।
এখন প্রশ্ন একটাই, শত্রুঘ্ন সিনহা কি শেষ মুহূর্তে কোনও বড় রাজনৈতিক বার্তা দেবেন, নাকি নীরব থেকেই পুরো পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকবেন?