TMC Bank Account Transaction Stopped: তৃণমূলের অ্যাকাউন্টের লেনদেন বন্ধ করে দিন, ব্যাঙ্ককে চিঠি কোষাধ্যক্ষ অরূপের

DFC ব্যাঙ্কের সেন্ট্রাল প্লাজা শাখায় চিঠি লেখেন অরূপ। দলের অ্যাকাউন্টে সমস্ত লেনদেন বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছেন। এবার কি অর্থ সঙ্কটে পড়তে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল?

Advertisement
তৃণমূলের অ্যাকাউন্টের লেনদেন বন্ধ করে দিন, ব্যাঙ্ককে চিঠি কোষাধ্যক্ষ অরূপেরঅরূপ বিশ্বাস

তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে HDFC ব্যাঙ্ককে চিঠি কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাসের। HDFC ব্যাঙ্কের সেন্ট্রাল প্লাজা শাখায় চিঠি লেখেন অরূপ। দলের অ্যাকাউন্টে সমস্ত লেনদেন বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছেন। এবার কি অর্থ সঙ্কটে পড়তে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল?

বিধানসভা, লোকসভা সহ রাজ্যসভায় ভাঙনে টুকরো টুকরো তৃণমূল। এই মুহূর্তে তৃণমূলের বৈধ নিয়ন্ত্রণ কার হাতে তা নিয়ে 'গুরুতর জটিলতা'র কথা উল্লেখ করেছেন অরূপ। তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতাদের নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ফলে এখন কে বা কারা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। 

এই অবস্থায় দলের অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখতে, সমস্ত লেনদেন বন্ধ রাখা হোক, না হলে আরও জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন। ফলে যতক্ষণ দলের মধ্যেকার সমস্যার সমাধান না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত, সব ধরনের লেনদেন বন্ধ রাখার আবেদনে তিনি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছে জানিয়েছেন।

অরূপ তাঁর চিঠিতে আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তাঁর সই করা কিছু চেক রয়েছে যেগুলির অপব্যবহার হতে পারে। তাই তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে সাময়িকভাবে লেনদেন বন্ধ রাখার আর্জি জানান। 

চিঠিতে তিনি এও লেখেন, দলের মধ্যে সমস্যা যতদিন না মেটে ততদিন লেনদেন বন্ধই রাখা হোক।

তৃণমূল জানিয়েছে, অরূপ বিশ্বাস দলের কোষাধ্যক্ষ নন। দলের সমস্ত ইউনিট ভেঙে দেওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সম্পূর্ণ সাংগঠনিক পুনর্গঠনের ঘোষণা করেছিলেন। ৫ জুন শুভাশিষ চক্রবর্তীকে কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছিল বলে দাবি করে তৃণমূল।

এদিকে, বৃহস্পতিবার মেসিকাণ্ডে অবশেষে পুলিশের মুখোমুখি হন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। দীর্ঘদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার পর এদিন সকালে তিনি বিধাননগর দক্ষিণ থানায় উপস্থিত হন। সকাল ৯টা ৫৫ মিনিট নাগাদ তাঁকে থানায় ঢুকতে দেখা যায়।

উল্লেখ্য, এই মামলার তদন্তে সহযোগিতার জন্য এর আগে তিনবার অরূপ বিশ্বাসকে তলব করেছিল বিধাননগর পুলিশ। তবে প্রতিবারই তিনি বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়ে যান। অবশেষে বৃহস্পতিবার তিনি থানায় গিয়ে তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement