Kanchan Mullick: 'সারাক্ষণ সজাগ আছি', SIR আবহে নিজের বিধানসভায় বিধায়ক কাঞ্চন, সঙ্গে অরূপও

ভোটে জেতার পর তাঁকে নাকি খুব বেশি নিজের বিধানসভা এলাকায় দেখা যায়নি। এমনটাই অভিযোগ বিভিন্ন মহলের। এমনকী সক্রিয় রাজনীতিতেও তাঁকে সেভাবে দেখা যায় না বলে মত অনেকের। তবে এবার SIR আবহে নিজের বিধানসভা এলাকায় দেখা গেল তাঁকে। কথা হচ্ছে হুগলির উত্তরপাড়ার বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিককে নিয়ে। দিন কয়েক আগে দলের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সেরেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

Advertisement
'সারাক্ষণ সজাগ আছি', SIR আবহে নিজের বিধানসভায় বিধায়ক কাঞ্চন, সঙ্গে অরূপওবিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক

ভোটে জেতার পর তাঁকে নাকি খুব বেশি নিজের বিধানসভা এলাকায় দেখা যায়নি। এমনটাই অভিযোগ বিভিন্ন মহলের। এমনকী সক্রিয় রাজনীতিতেও তাঁকে সেভাবে দেখা যায় না বলে মত অনেকের। তবে এবার SIR আবহে নিজের বিধানসভা এলাকায় দেখা গেল তাঁকে। কথা হচ্ছে হুগলির উত্তরপাড়ার বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিককে নিয়ে। দিন কয়েক আগে দলের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সেরেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

SIR-এপ কাজে পিছিয়ে রয়েছেন ৮টি বিধানসভার বিধায়ক। তার মধ্যে একজন কাঞ্চন মল্লিক। কোন কোন বিধানসভা ভালো কাজ করেছে, কারা পিছিয়ে রয়েছে সেই নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। যাঁরা পিছিয়ে রয়েছেন, তাঁদের নিজের এলাকায় গিয়ে ওয়ার রুমে বসতে বলার পাশাপাশি বিএলএ-দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন অভিষেক। কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায় তা দেখতে দলের নেতা কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হুগলি ও হাওড়ার SIR-এর কাজ কেমন চলছে তা দেখার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় তৃণমূল নেতা তথা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। 

সেই মতো মন্ত্রী হুগলির শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার বিভিন্ন বিধানসভার ওয়ার রুম ঘুরে দেখেন। উত্তরপাড়া পৌঁছে দেখেন সেখানে বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক উপস্থিত রয়েছেন। প্রসঙ্গত, হুগলির বলাগড় ও উত্তরপাড়ার বিধায়ককে আগেই নিজেদের এলাকায় গিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছিল বলে খবর।

কাঞ্চন মল্লিক বলেন, আমরা সবাই তৃণমূল কর্মী। এসআইআর-এ সহযোগিতা করার জন্যই আমরা আছি। ফর্ম যাতে ঠিকঠাক বিলি করা হয়, জমা হয়, আপলোড হয়, সেই কাজে সহযোগিতা করার জন্য আমরা আছি। যদি আমার ফেসবুক পেজ ফলো করেন দেখবেন আমি আসি। ক্যাম্প ভিসিট করি। ফোনটা তো দেখাতে পারব না যে বিএলএ-দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। তবে কাজটা হওয়া জরুরি। সাধারণ মানুষের ভোটাধিকারের জন্য নামটা ওঠা জরুরি। আমরা সজাগ হয়ে আছি যাতে একটা বৈধ ভোটারও অবৈধ হয়ে না যান।

Advertisement

অরূপ বিশ্বাস বলেন, একটা জিনিস দেখলাম মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত। বিজেপি-নির্বাচন কমিশন যেভাবে ষড়যন্ত্র করে সাধারণ নাগরিকের ভোটাধিকার খর্ব করার চেষ্টা করছে,  তৃণমূল কর্মীরা মমতা বন্দোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশে কাজ করছেন। এসআইআর বিজেপি, নির্বাচন কমিশন গোপন বৈঠক করে করতে পারে, কিন্তু গাড্ডা খুঁড়লে সেই গাড্ডায় তাদের পড়তেই হবে।

POST A COMMENT
Advertisement