‘ডবল ইঞ্জিন’ স্পিডে উন্নয়ন! ৭ ন্যাশনাল হাইওয়ের অংশ কেন্দ্রের হাতে তুলে দিল রাজ্য

রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পরেই পরপর পদক্ষেপ নিচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। কাজের মোড এখন রাজ্যে পুরোপুরি অন। এরইমধ্যে শনিবার বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য। রাজ্যের জাতীয় সড়ক শাখার অংশ কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার।

Advertisement
‘ডবল ইঞ্জিন’ স্পিডে উন্নয়ন! ৭ ন্যাশনাল হাইওয়ের অংশ কেন্দ্রের হাতে তুলে দিল রাজ্য৭ ন্যাশনাল হাইওয়ের অংশ কেন্দ্রের হাতে তুলে দিলেন রাজ্য সরকার
হাইলাইটস
  • কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
  • ক্ষমতার পালাবদলের পরেই পরপর পদক্ষেপ নিচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার।
  • রাজ্যের জাতীয় সড়ক শাখার অংশ কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার।

রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পরেই পরপর পদক্ষেপ নিচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। বেআইনি উচ্ছেদ থেকে শুরু করে হাসপাতাল, প্রশাসন-সহ সব বিভাগকেই কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কাজের মোড এখন রাজ্যে পুরোপুরি অন। এরইমধ্যে শনিবার বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য। রাজ্যের জাতীয় সড়ক শাখার অংশ কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার।

নতুন সিদ্ধান্তের আওতায় ন্যাশনাল সড়কের অংশ এমন ৭টি রাস্তাকে ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা NHAI ও ন্যাশনাল হাইওয়েজ় অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড বা NHIDCL-এর কাছে হস্তান্তরিত করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে এতদিন রাজ্যের পূর্ত দফতরের (PWD) অধীনে থাকা এই জাতীয় সড়ক অংশগুলি এবার থেকে দেখভাল করবে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিই।

সূত্রের খবর, প্রায় এক বছর ধরে প্রস্তাবগুলি ঝুলে থাকায় সংশ্লিষ্ট জাতীয় সড়কগুলিতে উন্নয়নমূলক কাজ কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। রাস্তা সম্প্রসারণ, সংস্কার ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজও থমকে ছিল। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের আমলে গত এক বছরে একাধিকবার এই প্রস্তাব নিয়ে দরবার করলেও তাতে সাড়া মেলেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। আর মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ৭ দিনের মধ্যেই এই প্রস্তাবগুলিকে গ্রিন সিগন্যাল দেখালেন শুভেন্দু অধিকারী।

একটি সূত্র জানিয়েছে, রাজ্যের মুখ্যসচিবের দফতর থেকে এই হস্তান্তরে আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এরফলে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি এখন দ্রুত বকেয়া নির্মাণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করতে পারবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট সড়কগুলির উন্নয়ন আরও দ্রুত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজ্যের তরফে এই প্রস্তাব পাশের ফলে পড়শি রাজ্য বিহার ও সিকিম এবং বাংলাদেশ ও ভুটানের মতো প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পণ্য পরিবহণের অনেকটাই উন্নতি হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি পরিকাঠামোর উন্নয়ন নিয়েও টালবাহানা শেষ হবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement