West Bengal Assembly: কে কার 'ব্যাটা'? বিধানসভায় বাবা তুলে গালিগালাজে মাতলেন শুভেন্দু-উদয়ন

বাজেট অধিবেশনের মাঝেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা। বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ হওয়ার পর শুক্রবার তা নিয়ে আলোচনার সময় নজিরবিহীন বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ও মন্ত্রী উদয়ন গুহ এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

Advertisement
কে কার 'ব্যাটা'? বিধানসভায় বাবা তুলে গালিগালাজে মাতলেন শুভেন্দু-উদয়নউদয়ন গুহ ও শুভেন্দু অধিকারী।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • বাজেট অধিবেশনের মাঝেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা।
  • বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ হওয়ার পর শুক্রবার তা নিয়ে আলোচনার সময় নজিরবিহীন বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ও মন্ত্রী উদয়ন গুহ এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

বাজেট অধিবেশনের মাঝেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা। বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ হওয়ার পর শুক্রবার তা নিয়ে আলোচনার সময় নজিরবিহীন বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ও মন্ত্রী উদয়ন গুহ এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

বিভিন্ন বাংলা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার অধিবেশনের শুরুতে অন্তর্বর্তী বাজেট নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ী। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে বারবার বাধা দেন তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ। এর প্রতিবাদ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রথমে দু’জনের মধ্যে সামান্য বাদানুবাদ হলেও তা দ্রুত তুমুল ও কুরুচিকর বাক্যালাপে রূপ নেয়। অভিযোগ, এই সময় উদয়ন গুহকে ‘গুন্ডা’ বলে আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী।

বাজেট আলোচনার পর এই বিষয়েই বক্তব্য রাখতে ওঠেন উদয়ন গুহ। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলনেতা বিধানসভার বাইরে প্রায়শই এই ধরনের ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন। নিজের পিতৃপরিচয় উল্লেখ করে উদয়ন জানান, তাঁর বাবা কমল গুহ ১৯৬২ সাল থেকে সাতবার বিধানসভার সদস্য ছিলেন এবং বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই বক্তব্য শুনে শুভেন্দু অধিকারী বলে ওঠেন, 'আপনিই তো নিজের বাবাকে চোর বলেছেন।'

এর জবাবে উদয়ন গুহ বলেন, 'আপনি প্রমাণ করে দিন আমি কখনও বাবাকে চোর বলেছি। তাঁর কিছু কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছিলাম মাত্র।' এরপর শুভেন্দুকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, 'আপনি তো শিশিরবাবুর ছেলে। অথচ নিজেকে বলেন মোদীর ব্যাটা। তাহলে আপনি আসলে কার ছেলে?'

এই মন্তব্যের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিধানসভায় শুরু হয় হইচই। শেষ পর্যন্ত স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় হস্তক্ষেপ করে দু’জনকেই থামান। তিনি জানান, এই ধরনের কুরুচিকর ও ব্যক্তিগত কথোপকথন বিধানসভার কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement