পশ্চিমবঙ্গ হেলথ স্কিমরাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর। এবার পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পের গ্রাহকদের নতুন সুবিধা দিচ্ছে সরকার। এবার এই হেলথ স্কিমে দেশের আরও পাঁচটি এইমসে চিকিৎসা পাবেন। বুধবার এমনই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে অর্থ দফতর।
সরকারের তরফে খবর, কলকাতা থেকে যাঁরা দূরে রয়েছেন, সেই সব উপভোক্তারাও যাতে সঠিক চিকিৎসা পান। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতদিন শুধুমাত্র দিল্লি এইমস রাজ্য স্বাস্থ্য প্রকল্পের অধীনে ছিল। তবে এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণী, বিহারের পটনা, অসমের গুয়াহাটি, ওড়িশার ভুবনেশ্বর ও ঝাড়খণ্ডের দেওঘরের এইমস। যার ফলে এই সব হাসপাতালে এখন সহজেই চিকিৎসা করা যাবে।
যদিও বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়েছে, এই সব প্রতিষ্ঠানগুলিতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য প্রকল্পের উপভোক্তাদের খরচ ফেরত পাওয়ার যোগ্যতাও নির্ধারণ করে দেবে সরকার। আগের শর্ত মেনেই এই যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে। তবে আগে যেমন চিকিৎসার আগাম অনুমতি নিতে হতো, সেটা নিতে হবে না।
বিজ্ঞাপ্তিতে আরও জানান হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী উপভোক্তারা সংশ্লিষ্ট এইমসের আউটডোরে চিকিৎসা করাতে পারবেন। এমনকী পরীক্ষানীরিক্ষা করা যাবে। ভর্তি হওয়া যাবে ইনডোরে।
কীভাবে মিলবে চিকিৎসা খরচ?
যদিও চিকিৎসার খরচ পেতে চাইলে স্বাস্থ্য প্রকল্পের নিয়ম মেনে চলতে হবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থা যে অর্থ নেবে এবং স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় যেই পরিমাণ টাকা ফেরত পাওয়া যেতে পারে, তার মধ্যে যেটি কম, সেটাই দেওয়া হবে। এছাড়া প্রকল্পের অন্যান্য যে নিয়ম রয়েছে, যা শর্ত রয়েছে, সেই সব নিয়মও মেনে চলতে হবে।
মাথায় রাখতে হবে, আউটডোরে চিকিৎসা খরচের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ২০০৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকা রোগ ও চিকিৎসার তালিকা অনুযায়ীই টাকা ফেরত দেওয়া হবে। ২০২৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বরের নিয়মও লাগু থাকবে। যার ফলে এই তালিকায় বাইরে থাকা রোগের খরচ মিলবে না বলেই জানা যাচ্ছে।
এছাড়া এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চিকিৎসা করানো বাবদ যেই যাতায়াত খরচ রয়েছে, সেটাও পাওয়া যাবে না। তবে নিয়ম যাই হোক না কেন, এর ফলে যে একটা বিরাট অংশের মানুষ সুবিধা পাবেন, এই কথা বলাই বাহুল্য।