সুপ্রিম কোর্টে SIR মামলায় হিয়ারিংআজ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের SIR সংক্রান্ত পিটিশনের প্রেক্ষিতে শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। আগের দিন এই মামলায় নিজেই আদালতে উপস্থিত ছিলেন মমতা। আর আজ আবার সেই মামলা শুনবে শীর্ষ কোর্ট। এখন প্রশ্ন হল, সোমবার তাহলে কী স্ট্র্যাটেজি হতে পারে মুখ্যমন্ত্রীর?
যতদূর খবর পশ্চিমবঙ্গের SIR প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক দাবি সুপ্রিম কোর্টের সামনে পেশ করা হতে পারে। যেমন ধরুন-
হোয়াটস অ্যাপে বার্তা বন্ধ
কমিশনের পক্ষ থেকে একাধিক নির্দেশ হোয়াটস অ্যাপে দেওয়া হয় বলে সুপ্রিম কোর্টে দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেটা যাতে আগামিদিনে না হয়, সেই দাবি আবার উঠতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হতে পারে এরপর থেকে সব অর্ডার যেন অফিশিয়াল লেটারহেডে দেওয়া হয়। তাতে যেন নম্বর এবং দিন উল্লেখ থাকে। আর এই সব নোটিফিকেশন যেন অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে তোলা হয়, সেটাও নিশ্চিত করতে বলা হতে পারে।
মাইক্রো অবজার্ভার নিয়ে যা দাবি
নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে যে রাজ্যের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সংখ্যক অফিসার মেলেনি। তাই অন্য রাজ্য থেকে মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করতে হয়েছে।
আর কমিশনের এই অভিযোগের বিরুদ্ধে নতুন চাল দিচ্ছে রাজ্য সরকার। তাদের তরফ থেকে ৮৫০৫ জন গ্রুপ বি ডব্লুবিসিএস অফিসার দেওয়া হবে বলে কোর্টে আজ দাবি করা হবে। ৭ ফেব্রুয়ারিই এই তালিকা নির্বাচন কমিশনকে মেলের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে।
মাইক্রো অবজার্ভারদের নেওয়া এতদিনের সিদ্ধান্ত বাদ দিতে হবে। ইআরও এবং এইআরও-দের সিদ্ধান্তই শেষ বলে গ্রহণ করতে হবে।
নাম বাদ দেওয়া প্রসঙ্গ
নির্বাচন কমিশন SIR-এর মাধ্যমে ভোটারের নাম বাদ দিতে চায় বলেই অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই দাবি আরও একবার কোর্টে করা হতে পারে বলে খবর।
এই প্রসঙ্গে আজ আইনজীবীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হতে পারে যে শুধুমাত্র নাম না মেলায় কোনও মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না।
স্থায়ী বসবাসের পত্র গ্রহণ করতে হবে
ইসিআই ইতিমধ্যেই নিজস্ব নিয়মে গ্রহণ করেছে পারমান্যান্ট রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট। তাই যাঁদের এই কারণে রিজেক্ট করা হয়েছে, তাঁদেরটা গ্রহণ করে হবে।
পাশাপাশি ইসিআই-কে হাউজ অ্যালটমেন্ট লেটারও বিহারের মতো গ্রহণ করতে হবে বলে দাবি করতে পারে সরকার।