Holding Centre: রাজ্যজুড়ে ১১ হোল্ডিং সেন্টার, আটক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা ৩০০ পার

অনুপ্রবেশকারীদের রাখার জন্য রাজ্যের ১১ জায়গায় তৈরি হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। অবৈধভাবে আসা বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের সেখানে রেখে পুশব্যাকের প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে ৩৮৬ জন অনুপ্রবেশকারীকে হোল্ডিং সেন্টারে ঢোকানো হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে সংখ্যাটা সবচেয়ে বেশি। সেখানে অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা ৩০০ পার করল। 

Advertisement
রাজ্যজুড়ে ১১ হোল্ডিং সেন্টার, আটক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা ৩০০ পারহোল্ডিং সেন্টারে অনুপ্রবেশকারীদের ভিড়

অনুপ্রবেশকারীদের রাখার জন্য রাজ্যের ১১ জায়গায় তৈরি হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। অবৈধভাবে আসা বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের সেখানে রেখে পুশব্যাকের প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে ৩৮৬ জন অনুপ্রবেশকারীকে হোল্ডিং সেন্টারে ঢোকানো হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে সংখ্যাটা সবচেয়ে বেশি। সেখানে অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা ৩০০ পার করল। 

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত আটক কেন্দ্রগুলিতে মোট ৩৮৬ জন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে রাখা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোথায় কতগুলি হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়েছে, সেখানে কত জনকে রাখা হয়েছে, তার হিসাব দিয়েছে রাজ্য সরকার।

হোল্ডিং সেন্টার তৈরি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বারুইপুর, সুন্দরবন, বসিরহাট, বনগাঁ, বারাসত, মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুর এবং কৃষ্ণনগরে। এ ছাড়া উত্তরবঙ্গে মালদা, কোচবিহার এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এই আটক শিবির খোলা হয়েছে।

বসিরহাট জেলায় ৩৩৫ জন অনুপ্রবেশকারী রয়েছে। এরপর রয়েছে মুর্শিদাবাদ। সেখানে ১৯ জন আটক রয়েছে। বারুইপুরে ৫ জন, সুন্দরবনে ১ জন, দক্ষিন দিনাজপুরে ৮ জন, বনগাঁতে ১ জন. বারাসতে ৩ জন, কোচবিহারে ২ জন, জঙ্গিপুরে ২ জন, কৃষ্ণনগরে ১ জন ও মালদায় ৯ জন আটক রয়েছে।

বসিরহাটে তিনটি শিবির খোলা হয়েছে। বাকি সব কটিতে একটি করে। বসিরহাটে আটক পুরুষের সংখ্যা ১৪৮ এবং মহিলার সংখ্যা ৯৯। শিশুর সংখ্যা ৮৮।

বৃহস্পতিবার অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার আহ্বানও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এও বলেন, "আজকাল খবরের কাগজে খবর আসছে মমতা বন্দ্যোাধ্যায়ের সরকারের আমলে প্রতিদিনই অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটত। কিন্তু এখন তারা নিজেরাই ফিরে যাচ্ছে। শুভেন্দু এবং বাংলার বিজেপি সরকার ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করেছে। কিন্তু আমরা সবাই চাই যারা অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে তারা যেখান থেকে এসেছে সেখানেই ফিরে যাক। যদি তারা নিজেরাই চলে যায়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা করবে না, বরং তাদের চলে যেতে সাহায্যই করবে। আমি আশা করি, শনাক্তকরণ অভিযান শুরু হওয়ার আগেই অনেকে নিজ উদ্যোগে ফিরে যাবেন।" বলেন, শনাক্তকরণ অভিযান শুরু হওয়ার আগেই অনেকে নিজ উদ্যোগে ফিরে যাবেন। 
 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement