Medinipur Bride Death: BMW-র দাবিতে অত্যাচার? মেদিনীপুরে মৃত্যু নববধুর, গ্রেফতার স্বামী-শ্বশুর

West Midnapore Bride Death: বিয়ের মাত্র আট মাস। অভিযোগ, একাধিকবার সংসারে অশান্তি, অত্যাচারের কথা জানিয়েছিলেন স্নেহা। আর তার পরেই শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হল ঝুলন্ত দেহ। পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের যমুনাবালি এলাকার ঘটনা।

Advertisement
BMW-র দাবিতে অত্যাচার? মেদিনীপুরে নববধুর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার স্বামী-শ্বশুরবিয়ের আট মাসের মাথায় বধূর মৃত্যু, BMW বাইক নিয়ে অশান্তির অভিযোগ, গ্রেফতার স্বামী ও শ্বশুর।
হাইলাইটস
  • একাধিকবার সংসারে অশান্তি, অত্যাচারের কথা জানিয়েছিলেন স্নেহা।
  • শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হল ঝুলন্ত দেহ।
  • পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের যমুনাবালি এলাকার ঘটনা।

West Midnapore Bride Death: বিয়ের মাত্র আট মাস। অভিযোগ, একাধিকবার সংসারে অশান্তি, অত্যাচারের কথা জানিয়েছিলেন স্নেহা। আর তার পরেই শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হল ঝুলন্ত দেহ। পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের যমুনাবালি এলাকার ঘটনা। মৃতার বাবার অভিযোগ, পণের দাবিতে লাগাতার অত্যাচার চলছিল তাঁর মেয়ের উপর। বিলাসবহুল বিএমডব্লুউ মোটরসাইকেলের জন্য টাকা চাইছিল জামাই, দাবি স্নেহার বাবার। তারপরেই হঠাৎ এই ঘটনা। মৃতার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামী ও শ্বশুরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

মৃতার নাম স্নেহা চক্রবর্তী। বয়স ২৫ বছর। আট মাস আগে মেদিনীপুরের ধনী ব্যবসায়ী পরিবারে তাঁর বিয়ে হয়। লাভ ম্যারেজ। স্নেহার বাবা ধ্রুব চক্রবর্তী পুলিশকর্মী। এদিকে জামাই রণদীপ জানা এবং শ্বশুর রতন জানার লরি, বালির ব্যবসা। বেশ উচ্চবিত্ত পরিবার।

গত বছর ডিসেম্বরে সামাজিক অনুষ্ঠান করে রণদীপের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল স্নেহার। সেইসময় শ্বশুরবাড়ির কথামতো যৌতুক হিসেবে যা দেওয়ার সবই দিয়েছিলেন বলে দাবি স্নেহার বাবার।
গত বছর ডিসেম্বরে সামাজিক অনুষ্ঠান করে রণদীপের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল স্নেহার। সেইসময় শ্বশুরবাড়ির কথামতো যৌতুক হিসেবে যা দেওয়ার সব

গত বৃহস্পতিবার শ্বশুরবাড়ি থেকে স্নেহার দেহ উদ্ধার করা হয়। শ্বশুরবাড়ির দাবি, স্নেহা আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে তাঁর বাবার অভিযোগ, মেয়ের মৃত্যুর পিছনে অন্য কারণ রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই জামাইয়ের অভব্য আচরণ ও টাকা ওড়ানোর স্বভাবের কথা জানাতেন স্নেহা, দাবি বাবার। দামি মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য বাবার থেকে টাকা আনার দাবিও করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন স্নেহার বাবা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানো হয়েছে।

স্নেহার আদি বাড়িও মেদিনীপুর শহরে। তাঁর বাবা ধ্রুবের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই মেয়েকে পণের জন্য চাপ দেওয়া হত। তাঁর দাবি, জামাই রণদীপ জানা এবং বেয়াই রতন জানা অত্যাচারের করতেন। 

ধ্রুবের অভিযোগ, সম্প্রতি BMW বাইক কেনার জন্য টাকা চেয়েছিলেন রণদীপ। মেয়ের মাধ্যমে সেই টাকা চাওয়া হয়েছিল বলে দাবি তাঁর। কিন্তু স্নেহা তাতে রাজি হননি। এই বিষয়কে কেন্দ্র করেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা বাধে বলে অভিযোগ। তার পর থেকে মেয়ের উপর অত্যাচার বেড়ে যায় বলে দাবি করেছেন ধ্রুব।

তাঁর বক্তব্য, স্নেহা আত্মহত্যা করতে পারেন না। পণের টাকা না পেয়ে তাঁকে খুন করা হয়েছে বলেই সন্দেহ মৃতার বাবার। পুরোটাই আপাতত তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশ ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

Advertisement

ধ্রুবের কথায়, বিয়ের পর থেকেই মেয়ের সংসারে সমস্যা চলছিল। তিনি চান, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং দোষীরা শাস্তি পাক। এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। 

POST A COMMENT
Advertisement