Annapurna Bhandar 12 Page Form: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ১২ পাতার ফর্ম এত জটিল কেন? মন্ত্রী দিলীপের সাফাই হল...

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলআপের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এই প্রকল্পের ফর্ম ১২ পাতার। এখানে প্রচুর তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। আর সেটা দেখেই বিরোধীরা ফর্ম অত্যন্ত জটিল বলে অভিযোগ শুরু করে দিয়েছে। তাঁদের দাবি, সরকার টাকা দিতে চায় না। তাই ফর্ম এত জটিল করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের আজ স্পষ্ট উত্তর দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর মতে, এখন সবে শুরু হয়েছে এই প্রকল্প। ধীরে ধীরে সব সরলীকরণ হবে। 

Advertisement
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ১২ পাতার ফর্ম এত জটিল কেন? মন্ত্রী দিলীপের সাফাই হল...অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ১২ পাতার ফর্ম
হাইলাইটস
  • অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলআপের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে
  • এই প্রকল্পের ফর্ম ১২ পাতার
  • এখানে প্রচুর তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলআপের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এই প্রকল্পের ফর্ম ১২ পাতার। এখানে প্রচুর তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। আর সেটা দেখেই বিরোধীরা ফর্ম অত্যন্ত জটিল বলে অভিযোগ শুরু করে দিয়েছে। তাঁদের দাবি, সরকার টাকা দিতে চায় না। তাই ফর্ম এত জটিল করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের আজ স্পষ্ট উত্তর দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর মতে, এখন সবে শুরু হয়েছে এই প্রকল্প। ধীরে ধীরে সব সরলীকরণ হবে। 

আজ সাংবাদিকদের সামনা সামনি হয়েছে দিলীপ বলেন, 'সবই সরলীকরণ হবে। শুরু করেছে একটা ভেবে। ওরকম নয় যে যাকে ইচ্ছে দিয়ে দিল... বাংলাদেশিরা অর্ধেক লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে চলে গেল। এটা চলবে না। ভ্যারিফিকেশন চলছে। সরলীকরণ হবে ধীরে ধীরে।'

এই প্রসঙ্গে জিএসটি-এর কথাও তোলেন রাজ্য বিজেপির অন্যতম প্রধান মুখ। তাঁর মতে, জিএসটি যখন চালু হয়, তখন কেউ বুঝতেই পারেনি। ধীরে ধীরে ব্যবস্থাটা সহজ হয়েছে। সবাই বুঝতে পেরেছে। সকলে লাভ পাচ্ছেন। আর এমনটাই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফ্যানের সঙ্গে হবে বলে জানালেন তিনি। 

মাথায় রাখতে হবে, বুধবার বিকেলেই সাংবাদিক বৈঠক করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলআপের বিষয়ে বিশদে বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, এই ফর্ম সবাইকে পূরণ করতে হবে। তাহলেই মিলবে অন্নপূর্ণ ভাণ্ডারের মাসিক ৩০০০ টাকা। 

আর ইতিমধ্যেই সেই ফর্ম সামনে এসেছে। এই ফর্ম হল ১২ পাতার। এই ফর্মে আধার, ভোটার, প্যান, ব্যাঙ্কের তথ্য সহ একাধিক নথি চাওয়া হয়েছে। এমনকী জমি-বাড়ি রয়েছে কি না, আয় কত ইত্যাদি জানতে চাওয়া হয়েছে। তারপরই অনেকে এই ফর্মের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তাঁদের অভিযোগ, ইচ্ছে করেই জটিল ফর্ম সামনে আনা হয়েছে। অধিকাংশ মহিলার পক্ষেই এই ফর্ম ফিলআপ করা সম্ভব নয়। আর সেটাই নতুন সরকার চাইছে বলে দাবি করছে বিরোধীদের একাংশ। 

যদিও সেই দাবি উড়িয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর স্পষ্ট মত, নতুন শুরু হয়েছে এই প্রকল্প। ভ্যারিফিকেশনের জন্যই এই ফর্মে এত তথ্য চাওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে সরলীকরণ হয়ে যাবে। তবে সেটা কবে হবে, এই নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি।

Advertisement

যদিও ফর্ম ফিলআপে সাহায্য করার জন্য শিবির আয়োজন করছে সরকার। ১৫ থেকে ১৭ জুনের মধ্যে রাজ্যজুড়ে ‘জনকল্যাণ শিবির’ আয়োজন করা হবে, যেখানে সরাসরি আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে। এছাড়া পঞ্চায়েত ও পৌরসভা এলাকায় সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়েও সকলকে সাহায্য করবেন। এমনকী ফর্ম সংগ্রহ করবেন বলে জানান হয়েছে।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement