Mandarmani Tajpur Illegal Resorts: এবার মন্দারমনি, তাজপুরে সমুদ্রের ধারের বেআইনি রিসোর্টগুলো ভাঙা হবে? মুখ খুললেন বনমন্ত্রী

সমুদ্রের ধারে নিয়ম ভেঙে গড়ে ওঠা হোটেল রিসর্টগুলোর বিরুদ্ধে কি এবার শুরু হতে চলেছে বড়সড় অভিযান? এমনই জল্পনার মাঝে উপকূল এলাকায় বেআইনি কংক্রিট নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও। তিনি জানালেন, কোস্টাল জোনের নিয়ম অমান্য করে সমুদ্র থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে কোনও কংক্রিট নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না। যেখানে আইন ভাঙা হয়েছে, সেখানে প্রয়োজন হলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

Advertisement
এবার মন্দারমনি, তাজপুরে সমুদ্রের ধারের বেআইনি রিসোর্টগুলো ভাঙা হবে? মুখ খুললেন বনমন্ত্রীবিচের ধারের রিসোর্ট ভাঙা হবে?
হাইলাইটস
  • সমুদ্রের ধারে নিয়ম ভেঙে গড়ে ওঠা হোটেল রিসর্টগুলোর বিরুদ্ধে কি এবার শুরু হতে চলেছে বড়সড় অভিযান?
  • এমনই জল্পনার মাঝে উপকূল এলাকায় বেআইনি কংক্রিট নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও
  • কোস্টাল জোনের নিয়ম অমান্য করে সমুদ্র থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে কোনও কংক্রিট নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না

সমুদ্রের ধারে নিয়ম ভেঙে গড়ে ওঠা হোটেল রিসর্টগুলোর বিরুদ্ধে কি এবার শুরু হতে চলেছে বড়সড় অভিযান? এমনই জল্পনার মাঝে উপকূল এলাকায় বেআইনি কংক্রিট নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও। তিনি জানালেন, কোস্টাল জোনের নিয়ম অমান্য করে সমুদ্র থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে কোনও কংক্রিট নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না। যেখানে আইন ভাঙা হয়েছে, সেখানে প্রয়োজন হলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

মন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তাজপুর, মন্দারমনি সহ উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ম না মেনে তৈরি হওয়া হোটেলগুলো ভাঙার অভিযান শুরু হতে পারে? স্বাভাবিকভাবেই এই বার্তায় অস্বস্তি বেড়েছে সংশ্লিষ্ট হোটেল ব্যবসায়ীদের একাংশের মধ্যে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তাজপুর, মন্দারমনি সহ উপকূলবর্তী বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও। রাজ্যজুড়ে ১০ কোটি ম্যানগ্রোভ ও অ্যাসোসিয়েট বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যে তাঁর এই সফর। তাজপুরে ম্যানগ্রোভ রোপণের শুভ সূচনা করার পাশাপাশি উপকূলের বিভিন্ন অংশ ঘুরে কোস্টাল জোনের বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করেন তিনি। 

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী জানান, কোথাও কোথাও নিয়ম মেনেই নির্মাণ হয়েছে। তবে একাধিক জায়গায় কোস্টাল জোনের বিধি লঙ্ঘন করে সমুদ্রের খুব কাছেই কংক্রিটের হোটেল ও অন্যান্য স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তাঁর নজরে এসেছে। তিনি বলেন, প্রতিটি নির্মাণ সমুদ্র থেকে ঠিক কতটা দূরে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে। ট্রাইব্যুনালের বিধি অনুযায়ী সমুদ্র থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে কংক্রিট নির্মাণ করা যায় না। সেই নিয়ম লঙ্ঘিত হলে সরকার কোনওভাবেই তা প্রশ্রয় দেবে না এবং প্রয়োজনীয় কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সূত্রের খবর, আগের সরকারের আমলে উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক হোটেল ব্যবসায়ী ট্রাইব্যুনালের নিয়ম উপেক্ষা করে ৫০০ মিটারের মধ্যে কংক্রিট নির্মাণ শুরু করেছিলেন। অভিযোগ, সেইসব নির্মাণের বেশ কয়েকটি এখনও সম্পূর্ণ হয়নি এবং অনেক কাজ বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। সরকার পরিবর্তনের পর এই প্রথম বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন এবং তাঁর কড়া মন্তব্য নতুন করে জল্পনা উসকে দিয়েছে।

Advertisement


প্রশাসন যদি নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকর করে, তাহলে নিয়মবহির্ভূত একাধিক হোটেল ও কংক্রিট নির্মাণের বিরুদ্ধে ভাঙার মতো কঠোর পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর পরিকল্পনা ও নির্দেশে তাজপুর সমুদ্র উপকূলে ২ কোটি ম্যানগ্রোভ ও অ্যাসোসিয়েট বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ সূচনাও করেন মন্ত্রী, যা উপকূলের পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। (রিপোর্টার- চন্দন সেনাপতি)

 

POST A COMMENT
Advertisement