Yusuf Pathan Murshidabad: 'উস্কানি দিয়েছে,' বেলডাঙায় মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে গেলেন ইউসুফ

Yusuf Pathan Murshidabad: সুজাপুরে নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে গেলেন বহরমপুরের তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠান। আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে টানা দু’দিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা।

Advertisement
'উস্কানি দিয়েছে,' বেলডাঙায় মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে গেলেন ইউসুফআলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে টানা দু’দিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা।
হাইলাইটস
  • সুজাপুরে নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে গেলেন বহরমপুরের তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠান।
  • আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে টানা দু’দিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা।
  • রবিবার সকালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।

Yusuf Pathan Murshidabad: সুজাপুরে নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে গেলেন বহরমপুরের তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠান। আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে টানা দু’দিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রবিবার সকালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। এরপরেই নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন ইউসুফ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে এ দিন সকালে আলাউদ্দিনের সুজাপুরের বাড়িতে পৌঁছন বহরমপুরের তৃণমূল সাংসদ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক হাসানুজ্জামান শেখ। শোকার্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তাঁরা।

ভিন্‌রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে আলাউদ্দিন শেখের খুনের ঘটনায় কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল বেলডাঙা। দফায় দফায় ভাঙচুর, রেল ও সড়ক অবরোধে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন। দু’দিন ধরে চলে উত্তেজনার। রবিবার সকালে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই নিহত শ্রমিকের বাড়িতে যান সাংসদ। এলাকায় পা রাখতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় ইউসুফকে। এত বড় উত্তেজনার মধ্যেও কেন এলাকার জনপ্রতিনিধিদের দেখা মেলেনি, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে ইউসুফ বলেন, সাধারণ মানুষ ও সংবাদমাধ্যমকে ভুল বুঝিয়ে উস্কানি দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি গোটা সময়টাই জেলায় ছিলেন। দলের কর্মীরা নিচুতলার মানুষের সঙ্গে সারাক্ষণ যোগাযোগ রেখেছেন। তিনি সাধারণ মানুষের জন্যই কাজ করেন বলেও জানান সাংসদ।

ইউসুফ যে নিহত শ্রমিকের বাড়িতে আসবেন, তা আগেই জানিয়েছিলেন অভিষেক। শনিবার বেলডাঙা থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে বহরমপুরে রোড-শো করেছিলেন TMC র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সেখান থেকেই জানান, উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে গেলে অশান্তি আরও বাড়তে পারত। তাই পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পরেই সাংসদ ও বিধায়কদের এলাকায় যেতে বলা হয়। সেই নির্দেশ মেনেই রবিবার সকালে নিহত শ্রমিকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান ইউসুফ।

পরিবারের সদস্যেরা সাংসদের কাছে তাঁদের অসহায়তার কথা তুলে ধরেন। ইউসুফ পাঠান তাঁদের সব রকম সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন।

শনিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই অশান্তির জন্য সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করেন। নাম না করে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকেও কটাক্ষ করেন। 

Advertisement

দু’দিনের উত্তেজনার পর রবিবার সকালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত। তবে এখনও থমথমে বেলডাঙা। নতুন করে কোনও অশান্তির খবর মেলেনি। এলাকায় টহল দিচ্ছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স। যদিও শিয়ালদহ-লালগোলা শাখায় এখনও ট্রেন চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। নিত্যযাত্রী ও ব্যবসায়ীরা ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। বাস চলাচল শুরু হলেও তাতে ঠাসাঠাসি ভিড়। এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। যাতে নতুন করে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে দিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। 

POST A COMMENT
Advertisement