যুব সাথীর রেজিস্ট্রেশনের ভিড়।-ফাইল ছবিমাসে ১,৫০০ টাকার আর্থিক সহায়তার জন্য শহরের যুব সাথী ক্যাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে দেখা গেল উচ্চশিক্ষিত তরুণ-তরুণীদেরও। সোমবার কলকাতার বিভিন্ন শিবিরে আবেদনকারীদের ভিড়ের মধ্যে ছিলেন বহু উচ্চশিক্ষিক যুবক যুবতী। প্রায় সকলেই চাকরির অভাবে হতাশার কথা জানিয়েছেন। এমবিএ, এমকম পাশ করা যুবক যুবতীরাও লাইন দিচ্ছেন যুবসাথী পেতে।
ফর্ম বিলিতে রেকর্ড ভিড়
কলকাতা জুড়ে ৩৫টি ক্যাম্পে সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন পড়ে। শহরে ১১টি বিধানসভা এলাকায় এই শিবিরগুলি চালু হয়েছে। সোমবার অনলাইন আবেদনপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
কলকাতা পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম দিন রবিবার ১৪,৯০০টি এবং সোমবার প্রায় ২২,০০০টি ফর্ম বিতরণ হয়েছে। অর্থাৎ, প্রথম দু’দিনেই কলকাতায় প্রায় ৩৭,০০০টি ফর্ম বিলি হয়েছে। রাজ্য জুড়ে এই সংখ্যা প্রায় ৬.৫৫ লক্ষ। ক্যাম্প চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
কী নথি লাগবে?
আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে
আধার কার্ড
ভোটার কার্ড
মাধ্যমিক পাশের সার্টিফিকেট ও অ্যাডমিট কার্ড
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি (যেখানে অর্থ জমা হবে)
ফর্মে একটি স্ব-ঘোষণাপত্রে আবেদনকারীকে জানাতে হবে যে তিনি বর্তমানে বেকার এবং রাজ্য সরকারের অন্য কোনও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা নিচ্ছেন না (শিক্ষাবৃত্তি বা শিক্ষাগত সহায়তা ছাড়া)। চাকরি পেলে তা অবিলম্বে জানাতেও হবে।
কারা পাবেন সুবিধা?
ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী, অন্তত মাধ্যমিক উত্তীর্ণ এবং আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা বেকার বাসিন্দারা এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন। পাঁচ বছর বা চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে।
আগে ঘোষণা করা হয়েছিল ১৫ আগস্ট থেকে প্রকল্প চালু হবে। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আগামী ১ এপ্রিল থেকেই যুব সাথী প্রকল্প কার্যকর হবে।