হরমুজ সঙ্কটআমেরিকা-ইজরায়েল বনাম ইরান। এই যুদ্ধতেই বর্তমানে ত্রাহী ত্রাহী রব গোটা বিশ্বে। কারণ, এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বন্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালী। যার ফলে বৃদ্ধি পেয়েছে তেলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে চিন্তা বাড়ছে ভারতের।
আর খারাপ খবরের এখানেই শেষ নয়। ১১টি ভারতীয় জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় বন্দর এবং জাহাজ পরিবহণ মন্ত্রক।
এই মন্ত্রকের স্পেশাল সেক্রেটরি রাজেশকুমার সিনহা সাংবাদিক সম্মেলনে এই বিষয়টা জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রায় ২.২ মিলিয়ন টন গ্যাস এবং তেল আটকে রয়েছে হরমুজ প্রণালীর পশ্চিমে। যার ফলে চিন্তা বাড়ছে সরকারের।
এই সব জাহাজে রয়েছে তেল, LPG এবং LNG
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ। আর এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছে ১১টি জাহাজ। এগুলিতে প্রচুর পরিমাণে জ্বালানি রয়েছে।
যতদূর খবর, ১.৬৭ মিলিয়ন টন অপরিশোধিত তেল রয়েছে এই সব জাহাজে। এছাড়া ০.৩২ মিলিয়ন টন এলপিজি এবং ০.২ মিলিয়ন টন এলএনজি রয়েছে।
বিসনেস টুডে-তে প্রকাশিত একটি তথ্য অনুযায়ী, এই সপ্তাহের প্রথমে সরকারের পক্ষ থেকে জানান হয়, ২২টি জাহাজ তেল, এলপিজি, এলএনজি এবং একাধিক এনার্জি প্রোডাক্ট নিয়ে আসছে। যদিও এবার সরকারে পক্ষ থেকে জানান হল যে এখানে ১১টি জাহাজ আটকে রয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বন্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালী। এখান থেকে জ্বালানি বোঝাই জাহাজ যেতে দিতে দিচ্ছে না ইরান। যার ফলে সারা বিশ্বে তেলের দাম বাড়ছে। হু হু করে পড়ছে শেয়ারমার্কেট। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সারা পৃথিবীর দৈনিক জ্বালানি চাহিদার ২০ শতাংশ সাপ্লাই হয় এই রুট দিয়ে। শুধু তাই নয়, ভারত নিজের চাহিদার ৮০ শতাংশ তেল এখান থেকে নিয়ে আসে। আর সেই রুটই এখন কর্যত বন্ধ। যার ফলে বিপদ বাড়ছে। তৈরি হচ্ছে সঙ্কটের কালো মেঘ।
মাথায় রাখতে হবে চলতি সপ্তাহে ২টি এলপিজি বোঝাই গ্যাস ভারতে এসেছে। যার ফলে দেশে গ্যাসের সঙ্কট অনেকটাই মিটেছে বলে খবর। তবে এই সুখবরের মধ্যেই ১১টি জাহাজ আটকে থাকার খবরে আবার নতুন করে মাথা ব্যথা শুরু হল। এখন দেখার ভারত সরকার এই পরিস্থিতি ঠিক কীভাবে সামলে নেয়।
বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র শিক্ষার উদ্দেশে লেখা হয়েছে। আমাদের তরফে এই তথ্যকে নিশ্চিত বলে জানান হচ্ছে না।