Tibet Earthquake: তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, মৃত অন্তত ১৬, আহত বহু, ঠিক কী পরিস্থিতি?

বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৩৩ মিনিট নাগাদ (জিএমটি ১৪৩৩) ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। উত্তর তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের জনবিরল ও উচ্চ পার্বত্য এলাকায় ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। চিন ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্রের (CENC) জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের কেন্দ্র।

Advertisement
তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, মৃত অন্তত ১৬, আহত বহু, ঠিক কী পরিস্থিতি?তিব্বতে ভূমিকম্প
হাইলাইটস
  • বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৩৩ মিনিট নাগাদ (জিএমটি ১৪৩৩) ভূমিকম্পটি আঘাত হানে
  • উত্তর তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের জনবিরল ও উচ্চ পার্বত্য এলাকায় ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল
  • চিন ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্রের (CENC) জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের কেন্দ্র

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চিনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তিব্বতে ভয়াবহ ভূমিকম্প। এটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭। এই শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১৬ জনের। আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। চিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, নাগকু শহরের এমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট ব্যুরোর তরফে এই তথ্য দিয়েছে।

শুক্রবার রাত ২টো ২৫ মিনিটে ভূমিকম্পের বিষয়ে আপডেট সামনে আসে। সেই তথ্য অনুযায়ী, আহত ৩২ জনের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকি ২১ জন সামান্য আহত হয়েছেন।

কখন হয় ভূমিকম্প?
বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৩৩ মিনিট নাগাদ (জিএমটি ১৪৩৩) ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। উত্তর তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের জনবিরল ও উচ্চ পার্বত্য এলাকায় ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। 

চিন ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্রের (CENC) জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের কেন্দ্র।

CENC-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎসস্থলের ৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে গড় উচ্চতা প্রায় ৪,৮৬৪ মিটার বা ১৫,৯৬০ ফুট। তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্র।

এই ভূমিকম্পের জন্য তিব্বতের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্কিত বাসিন্দারা বাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসছেন। অনেকে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির ভিতরে নিরাপত্তা খুঁজছেন। 

বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছেন এক বাসিন্দা। তিনি জানিয়েছেন, প্রবল কম্পনের জেরে তাঁদের ঘুম ভেঙে যায়। ভূমিকম্পের সময় বাড়ির ভিতর থেকে মটমট শব্দও শোনা যাচ্ছিল।

সরকারি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই স্থানীয় দমকল ও উদ্ধারকারী দলগুলিকে কাজে নামানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছনোর জন্য রওনা দিয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা।

CENC-এর তথ্য অনুযায়ী, মূল ভূমিকম্পের পর আশপাশের এলাকায় ৩ থেকে ৪ মাত্রার একাধিক ছোট কম্পনও রেকর্ড করা হয়েছে। যার ফলে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

২০২৪ সালের জানুয়ারির পর চিনে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প এটি। এর আগে ২০১০ সালে ছিংহাই প্রদেশের ইউশুতে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ২,৬৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনায় প্রায় ৩০০ জন নিখোঁজও হয়েছিলেন। তারপর আবার এই ঘটনা ঘটল। 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement