Oil Price Fall: হরমুজ খুলতেই ১১ শতাংশ পড়ল তেলের দাম, গ্যাসও সস্তা, তারপর আবার খারাপ খবর...

ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই হু হু করে বেড়েছে তেলের দাম। বিশেষত, হরমুজ বন্ধ থাকার কারণেই অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার পেরিয়ে গিয়েছিল। যদিও গতকালই ভাল খবর দিয়েছে তেহরান। তাদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, হরমুজ এবার খুলে দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে দাম কমেছে তেলের। 

Advertisement
হরমুজ খুলতেই ১১ শতাংশ পড়ল তেলের দাম, গ্যাসও সস্তা, তারপর আবার খারাপ খবর... তেলের দাম কমল
হাইলাইটস
  • ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই হু হু করে বেড়েছে তেলের দাম
  • হরমুজ বন্ধ থাকার কারণেই অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার পেরিয়ে গিয়েছিল
  • যার ফলে দাম কমেছে তেলের

ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই হু হু করে বেড়েছে তেলের দাম। বিশেষত, হরমুজ বন্ধ থাকার কারণেই অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার পেরিয়ে গিয়েছিল। যদিও গতকালই ভাল খবর দিয়েছে তেহরান। তাদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, হরমুজ এবার খুলে দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে দাম কমেছে তেলের। 

আসলে ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি যতদিন চলবে, ঠিক ততদিন কমার্শিয়াল ভেসেল যেতে দেবে হরমুজ থেকে। এমনকী ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান আর কখনও হরমুজ প্রণালী বন্ধ করবে না। তিনি ইরানকে এই জন্য ধন্যবাদও দেন। তারপরই বিশ্ব বাজারে তেল এবং গ্যাসের দামে বিরাট পতন হয়। 

১১ শতাংশ কমেছে তেলের দাম
এহেন ঘোষণার পর রাতারাতি ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল ফিউচারের দাম ১০.৪২ ডলার বা ১০.৪৮ শতাংশ কমেছে। এখন এর দাম ব্যারেল প্রতি ৮৮.৯৭ ডলার। এমনকী একটা সময় এর দাম ৮৬.০৯ ডলারে নেমে গিয়েছিল। 

একই অবস্থা ডব্লুটিআই ক্রুড অয়েলের। এর ফিউচারের দাম কমেছে ১১.৪৮ ডলার। পড়েছে প্রায় ১২.১২ শতাংশ। ব্যারেল প্রতি নেমে গিয়েছে ৮৩.২১ প্রতি ডলারে। যদিও শেষ বেলায় এর দাম কিছুটা বেড়ে যায়। এটা পৌঁছে যায় ৯০.৩৮ ডলারে। মাথায় রাখতে হবে, তেলের দামের ইতিহাসে একদিনে এত বড় পতন আর কখনও হয়নি।

গ্যাসের দামের কী খবর?
শুধু তেল নয়, এর পাশাপাশি নেমেছে গ্যাসের দামও। এলএনজি-এর দাম হ্রাস পেয়েছে ২.৬৪ ডলার। যদিও ইরানের প্রেসিডেন্টের আপডেটের পর ফিউচার মার্কেটে গ্যাসের দাম বেড়ে যায় ২.৬৭৪ ডলার। যার সহজ অর্থ হল ন্যাচরাল গ্যাসের দাম খুব একটা কমেনি। 

নতুন করে জটিলতা? 
শুক্রবার ইরান হরমুজ খোলার বার্তা দেওয়ার পরই পড়তে শুরু করেছিল তেল এবং গ্যাসের দাম। যদিও শনিবার সকালেই ছন্দপতন। এ দিন ইরানের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ জানান, হরমুজ চলবে ইরানের নিয়ম অনুযায়ী। এখানে আমেরিকার নিয়ম কাজ করবে না। তিনি আরও দাবি করেন, আমেরিকা যদি ইরানের বন্দরগুলির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাখে, তাহলে বন্ধ থাকবে হরমুজ প্রণালী। এমনকী তিনি ট্রাম্পের কথার নিন্দাও করেন। তারপর আবার সতর্ক হয়ে যাচ্ছে বিশ্ব বাজারের বিশেষজ্ঞরা। তাদের দাবি, এহেন বক্তব্যের ফলে তেল এবং গ্যাসের দাম বাড়তে পারে।

Advertisement

মার্কেটে কী হতে পারে?
হরমুজ প্রণালী খোলার পরই আমেরিকার মার্কেটে বিরাট লাফিয়েছে। তেমনটাই হতে পারে ভারতের বাজারেও। এখানে ৩০০ পয়েন্টের গ্যাপ আপ ওপেনিংয়ের আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement