তেহরানে অসিম মুনিরপাকিস্তানের সেনার ফিল্ড মার্শল আসিম মুনির তেহরানে পৌঁছেছেন। আমেরিকার দূত (পড়ুন দালাল) হয়েই তিনি ইরান গিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে আরও একাধিক পাকিস্তানি আধিকারিকরা রয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে।
যতদূর খবর, ইরান এবং আমেকিরার মধ্যে মধ্যস্ততা করার লক্ষ্য নিয়েই সেই দেশে পা দিয়েছেন মুনির। তাঁর সঙ্গে গিয়েছেন মন্ত্রী মহসিন নকভি। মুনির এবং তাঁর দল দুই দেশের মধ্যে পরিস্থিতি ঠান্ডা করার চেষ্টা করছে। দুই দেশের মধ্যে পৌঁছে দিচ্ছেন জরুরি বার্তা। পাশাপাশি আরও একবার আলোচনার পরিস্থিতি তৈরি করছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, গতবার ইসলামাবাদ অনেক চেষ্টা করার পরও আমেরিকা এবং ইরান কোনও সমঝোতায় পৌঁছতে পারেনি। ভেস্তে গিয়েছে শান্তি পরিকল্পনা। এমন পরিস্থিতিতে আরও একবার চেষ্টা করে দেখতে চাইছে পাকিস্তান। তারা মধ্যস্ততা করার চেষ্টা করছে। যদিও তাতে কোনও লাভ হবে কি না, সেই বিষয়ে কোনও গ্যারান্টি নেই।
ইরানে পাকিস্তানের দল পৌঁছনোর পরই সেই দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরগাছি শুভেচ্ছা জানান। এরপরই ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে আসে বিবৃতি। তারা জানায়, 'রবিবার ইসলামাবাদ থেকে তেহরানে ফেরার পর পাকিস্তানের মাধ্যমে অনেক বার্তা এসেছে।' তারপরই জানান হয়, পাকিস্তানের দল এখানে আসায় আবার ইসলামাবাদে আলোচনার পথ খুলে গেল।
এই রিপোর্ট অনুযায়ী, আসিম মুনির আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্বের মধ্যে সেতুর কাজ করছে। সেখানে ইরান এবং আমেরিকা দুই পক্ষই চাইছে নিজেদের শর্ত অনুযায়ী সমস্যার সমাধান করতে।
পরমাণু নিয়ে অনড় ইরান
পরমাণু নিয়ে নিজেদের অবস্থান পূর্ণ করে দিয়েছে আমেরিকা। ইরান পরিষ্কার করে দিয়েছে যে কিছু 'রেড লাইন' রয়েছে। সেই জায়গাটা কোনওভাবেই পেরনো যাবে না। তেহরানের পক্ষ থেকে ইসমাইল বাকাই দাবি করেন, তেহরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার প্রশ্নাতীত। তবে কতটা ইউরেনিয়াম এনরিচ করতে পারে, সেটা নিয়ে কথা হতে পারে। আর সেখানেই আটকে জটিলতা।
ট্রাম্পের কী দাবি?
এই পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তিনি দাবি করেন, আলোচনার জন্য রাস্তা খোলা রয়েছে। আবার উল্টো দিকে পেন্টাগনের তরফে ১০০০০ সেনা মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করার খবরও মিলছে। আর এই মিশ্র সংকতেই এখনও উত্তপ্ত যুদ্ধ হাওয়া।