ব্রিটেন আবারও নেতৃত্ব সংকটে পড়েছেপ্রধানমন্ত্রী পদ থেকে লিজ ট্রাস (Liz Truss) পদত্যাগ করতেই ব্রিটেন আবারও নেতৃত্ব সংকটে পড়েছে। ট্রাসের পদত্যাগের পরে বরিস জনসনও (Boris Johnson) সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। অনেকেই আশা করছেন ২০২৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনিই দলকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে পারেন। যদিও নতুন নেতা হিসাবে কাকে বেছে নেওয়া উচিত, তা নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু করেছে। ২৪ অক্টোবর প্রথম ভোট হবে, যে প্রার্থী দলের ১০০ জন সাংসদের সমর্থন পাবেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য লড়াই করবেন।
পার্টিতে নেতৃত্ব নিয়ে চলমান সংকটের মধ্যে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন বরিস। তাই দলের সাংসদরা ফের তাঁর দিকে ফিরে তাকাবেন কি না, তা কয়েকদিন পরেই জানা যাবে। অন্যদিক, লড়াইয়ে রয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনকও। একদিকে বরিস জনসন, যিনি ২০১৯ সালের নির্বাচনে দলকে ৮০টি আসনে জয়ী করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা এনেছিলেন এবং অন্যদিকে ঋষি।
করোনা মহামারীর সময় ঋষি সুনক ব্রিটিশ অর্থনীতিকে খুব ভালভাবে সামলেছিলেন। করোনার সময়ে ব্রিটেনে ঋষি সুনকের জনপ্রিয়তার গ্রাফও দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তৃতীয় নামটিও প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য আলোচনায় রয়েছে। তিনি হলেন পেনি মর্ডেন্ট (Penny Mordaunt)। এই তিনটি নাম নিয়ে ব্রিটেনের লেবার পার্টির নেতারা বিভক্ত।
অনেকে বিশ্বাস করেন যে বরিস জনসনই একমাত্র নেতা যিনি টোরি দলকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে পারেন। বরিস জনসন ইতিমধ্যেই সমর্থকদের কাছে একটি বার্তা পাঠিয়েছেন যে তিনি ব্রিটিশ সরকারের লাগাম হাতে তুলে নিতে প্রস্তুত। ২৪ অক্টোবর প্রথম ব্যালট অনুষ্ঠিত হবে। তাই প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে থাকা নেতাদের জন্য প্রথম চ্যালেঞ্জ হল শতাধিক সাংসদের সমর্থন আদায় করা। প্রায় দেড় মাস আগে বরিস জনসন যখন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন, তখন ঋষি সুনক ১২০ জনেরও বেশি সাংসদের সমর্থন পেয়েছিলেন। তবে সদস্যদের ভোটে জিতে যান লিজ ট্রাস।
ঋষি শিবির কী বলছে?
প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে ঋষি সুনক এখনও পর্যন্ত কিছু বলেননি। ঋষি সুনক শিবিরের দাবি, ইতিমধ্যেই তাদের ১০০ সাংসদের সমর্থন রয়েছে। সাংসদদের মধ্যে অনুষ্ঠিত ভোটে এক নম্বরে ছিলেন ঋষি সুনক। তাই এই দাবির পিছনে যুক্তি রয়েছে।