কমিউনিস্ট চিনের এই মন্দিরে ভিড় করছে Gen-Z, কী মনোস্কামনা তরুণদের?

Job Temple in China: চিনে জেন-জি-এর মধ্যে সম্প্রতি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে একটি মন্দির। লংহুয়া বৌদ্ধ মন্দিরে গিয়ে চাকরির জন্য প্রার্থনা করছেন তরুণ তরুণীরা।

Advertisement
কমিউনিস্ট চিনের এই মন্দিরে ভিড় করছে Gen-Z, কী মনোস্কামনা তরুণদের?চিনের এই মন্দিরে ভিড় করছে GEN-Z
হাইলাইটস
  • বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনীতির দেশ চিনেও চাকরি সঙ্কট।
  • জেন-জি'রা এখন ভালো চাকরি ও কর্মজীবনে সাফল্যের আশায় মন্দিরে গিয়ে মাথা ঠুকছেন।
  • তরুণরা মনের শান্তি, ভালো চাকরি এবং সাফল্য লাভের জন্য মন্দিরে ভিড় করছে।

সারা ভারত জুড়েই চাকরির সমস্যা প্রকট হয়ে উঠেছে। অনেকেই দাবি করছেন, বহু শিক্ষিত যুবক-যুবতিরা চাকরি পাচ্ছেন না। কিন্তু, আদতে এই সমস্যা শুধু ভারতের নয়, গোটা বিশ্বের চিত্রটাও কম বেশি একই। এমনকি বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনীতির দেশ চিনও এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে যে সাংহাইয়ের মতো বড় শহরের জেন-জি'রা এখন ভালো চাকরি ও কর্মজীবনে সাফল্যের আশায় মন্দিরে গিয়ে মাথা ঠুকছেন।  তরুণরা মনের শান্তি, ভালো চাকরি এবং সাফল্য লাভের জন্য মন্দিরে ভিড় করছে। 

এখানে যে মন্দিরটির কথা বলা হচ্ছে, সেটি সাংহাইয়ের প্রায় ১,৭০০ বছরের পুরনো লংহুয়া মন্দির। এটি এখন চাকরি প্রার্থনার জন্য চিনের জেন-জি'র কাছে অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এখানে তরুণরা ধূপকাঠি জ্বালাচ্ছে, মন্ত্র জপ করছে এবং বুদ্ধ  মূর্তির সামনে হাঁটু গেড়ে বসে কর্মজীবনে সাফল্যের জন্য প্রার্থনা করছে।

চিনে চাকরির সন্ধান উদ্বেগ বেড়ে গিয়েছে

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানাচ্ছে, এখন চিনেও চাকরি পাওয়া সহজ নয়। বলা হচ্ছে, তরুণ-তরুণীরা চাকরি খুঁজতে গিয়ে ফ্রড কোম্পানির ফাঁদে পড়ে প্রতিদিন ৫০০-৬০০ টাকা হারাচ্ছে। এমন অবস্থায় কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে তরুণ-তরুণীরা আরও ভালো সুযোগের সন্ধান করছে। 

জব সিকিউরিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, কিছু যুবক-যুবতিরা নতুন চাকরি পেলেও তাদের কর্মজীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত। ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা তাদের সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলছে। এ কারণেই অনেক তরুণ-তরুণী এখন চাকরি খোঁজার পাশাপাশি আধ্যাত্মিক ভাবে সমর্থনও খুঁজছে। 

লংহুয়া মন্দিরে দেখা যাচ্ছে, ভক্তরা লাল ফিতায় নিজেদের ইচ্ছা লিখে রেখেছেন। কেউ পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য আবার কেউ চাকরিতে সাফল্যের জন্য এই মন্দিরে মানত করেছেন।  ২৩ বছর বয়সী লি ইয়ংকিং জানিয়েছেন, কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার এবং কাজ শুরু করার প্রায় এক বছর পর থেকে তিনি নিয়মিত এই মন্দিরে আসেন। তিনি বর্তমানে, অনলাইনে বিউটি প্রোডাক্ট বিক্রি করেন। তাঁর দাবি, এই সেক্টরেও এখন প্রতিযোগিতা ব্যাপক বেড়ে গিয়েছে।

Advertisement

চিনের পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায়, কর্মসংস্থানের চাপ শুধু ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। সাংহাইয়ের তরুণদের প্রাচীন মন্দিরের প্রতি ঝোঁক এই পরিবর্তনশীল পরিবেশের এক আলাদা ছবি তুলে ধরছে। তরুণরা যেমন চাকরির জন্য আবেদন করছে ও ইন্টারভিউতে বসছে, তেমনই কেউ কেউ কর্মজীবনে সাফল্যের জন্য মন্দিরে গিয়ে প্রার্থনারও আশ্রয় নিচ্ছে। 

 

POST A COMMENT
Advertisement