চিন-আমেরিকা যুদ্ধ শুরু? হরমুজের পাল্টা স্কারবোরো শোল দ্বীপ অবরোধ বেজিংয়ের

মধ্যপ্রাচ্যে হরমুজ প্রণালী নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এরইমধ্যে নয়া স্ট্রাটেজিক সিদ্ধান্ত নিল চিন। যখন সারা বিশ্ব হরমুজের দিকে মনোযোগ দিয়ে রেখেছে, তখন চুপিচুপি দক্ষিণ চিন সাগরে নিজেদের শক্তিশালী করছে চিন।

Advertisement
চিন-আমেরিকা যুদ্ধ শুরু? হরমুজের পাল্টা স্কারবোরো শোল দ্বীপ অবরোধ বেজিংয়েরসামুদ্রিক ভূখণ্ড স্কারবোরো শোল অবরোধ করছে চিন
হাইলাইটস
  • মধ্যপ্রাচ্যে হরমুজ প্রণালী নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।
  • নয়া স্ট্রাটেজিক সিদ্ধান্ত নিল চিন।
  • স্কারবোরো শোলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের চেষ্টা করছে বেজিং।

মধ্যপ্রাচ্যে হরমুজ প্রণালী নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এরইমধ্যে নয়া স্ট্রাটেজিক সিদ্ধান্ত নিল চিন। যখন সারা বিশ্ব হরমুজের দিকে মনোযোগ দিয়ে রেখেছে, তখন চুপিচুপি দক্ষিণ চিন সাগরে নিজেদের শক্তিশালী করছে চিন।

বিধিনিষেধ আরোপের চেষ্টা করছে চিন

স্কারবোরো শোলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের চেষ্টা করছে বেজিং। যা চিন ও ফিলিপিন্সের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিবাদের কেন্দ্রবিন্দু একটি সামুদ্রিক এলাকা। স্যাটেলাইট ছবি থেকে ক্রমশই স্পষ্ট হয়ে উঠছে চিন নৌকা, উপকূলরক্ষী জাহাজ এবং একটি বিশাল ভাসমান বাধা ব্যবহার করে কার্যত এই প্রবাচ প্রাচীরের ভূখণ্ডের ঢোকার রাস্তা বন্ধ করার চেষ্টা করেছে।

স্কারবোরো শোল কেন গুরুত্বপূর্ণ?

স্কারবোরো শোল এমনিতে একটি ছোট সামুদ্রিক এলাকা। কিন্তু এটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ মৎস্যক্ষেত্র। এ কারণেই ফিলিপিনো জেলেরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে যাতায়াত করে আসছেন। তবে, চীন পুরো এলাকাটিকেই নিজেদের বলে দাবি করে। যদিও এটি ফিলিপিন্সের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত।

চিন এখানে কী করছে?

চিন সম্প্রতি এখানে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রায় ৩৫০ মিটার দীর্ঘ একটি ভাসমান জিনিস দিয়ে, চিন এখানে একটি বাধার সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি ওই এলাকার প্রবেশ পথে অসংখ্য চীনা মাছ ধরার নৌকা ও উপকূলরক্ষী জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে অন্য কেউ ওই ভূখণ্ডে নামতে না পারে। ফিলিপিন্সের অভিযোগ, চিন ‘সামুদ্রিক মিলিশিয়া’র মাধ্যমে এলাকাটিতে ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে এবং তাদের জেলেদের তাড়িয়ে দিচ্ছে।

কেন আমেরিকা জড়িয়ে পড়েছে?

যদিও ফিলিপিন্স আগেও এ ধরনের বাধার মোকাবিলা করেছে। কিন্তু এবার চিনের উপস্থিতি আরও জোরদার। রয়টার্সের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, চিনের এই পদক্ষেপে ফিলিপিন্সও তাদের উপকূলরক্ষী ও নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠিয়েছে। ফলে দক্ষিণ চিন সাগরে বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি। অন্যদিকে আমেরিকাও ফিলিপিন্সের পাশে দাঁডিয়েছে। ফলে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হচ্ছে। ফিলিপিন্সকে চিন সরাসরি হামলা করলে আমেরিকাও যে চুপ করে বসে থাকবে না, তা বলাই বাহুল্য।

Advertisement


 
POST A COMMENT
Advertisement