Donald Trump : 'তোমরা কাপুরুষ, সব মনে থাকবে', ইরান যুদ্ধে পাশে না থাকায় NATO-কে আক্রমণ ট্রাম্পের

এবার ন্যাটোকে আক্রমণ করলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান ও ইজরায়েলের যুদ্ধে আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি NATO-র দেশগুলো। তাতেই বেজায় চটেছেন ট্রাম্প।

Advertisement
'তোমরা কাপুরুষ, সব মনে থাকবে', ইরান যুদ্ধে পাশে না থাকায় NATO-কে আক্রমণ ট্রাম্পেরDonald Trump
হাইলাইটস
  • এবার ন্যাটোকে আক্রমণ করলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • ইরান ও ইজরায়েলের যুদ্ধে আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি NATO-র দেশগুলো

এবার ন্যাটোকে আক্রমণ করলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান ও ইজরায়েলের যুদ্ধে আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি NATO-র দেশগুলো। তাতেই বেজায় চটেছেন ট্রাম্প। এমনকী ন্যাটোকে কাপুরুষ বলেও আক্রমণ করেন তিনি। 

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, 'আমেরিকা ছাড়া ন্যাটো একটি কাগুজে বাঘ মাত্র'। তিনি অভিযোগ করেন, ইরানকে পরমাণু শক্তিধর হয়ে ওঠা থেকে রুখতে  যে যুদ্ধ চলছে, তাতে অংশ নিতে চায়নি ন্যাটোর দেশগুলো। অথচ যুদ্ধে অংশ নিলেও ন্যাটোর কোনও ক্ষতি হত না। 

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার ফলে ইরানের সঙ্গে এই সংঘাত শুরু হয়। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, লক্ষ লক্ষ মানুষ গৃহহীন। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটো দেশগুলি যুদ্ধের সময় পাশে না দাঁড়ালেও এখন তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে অভিযোগ করছে। তাঁর মতে, হরমুজ প্রণালী খুলে দিলে এত সমস্যা হোতো না। 

ট্রাম্প পোস্টে লেখেন, 'যুদ্ধ এখন সামরিকভাবে জিতে নেওয়া হয়েছেয তারপরও ন্যাটোর দেশগুলো তেলের দাম নিয়ে অভিযোগ করছে। অথচ হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে সাহায্য করছে না। এত সহজ কাজটাও করছে না।' এরপরই ট্রাম্প ন্যাটো দেশগুলোকে কাপুরুষ বলেন। 

অন্যদিকে, জার্মানি, ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, জাপান এবং কানাডা যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে উপযুক্ত পদক্ষেপে অংশ নিতে প্রস্তুত। তবে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ তখনই সম্ভব, যখন সক্রিয় যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান ঘটবে।

সুতরাং এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলির মধ্যে মতপার্থক্য আরও প্রকট হয়ে উঠছে। একদিকে ট্রাম্প যেখানে কড়া অবস্থান নিচ্ছেন, অন্যদিকে ইউরোপীয় দেশগুলি সরাসরি সংঘাতে জড়াতে আগ্রহী নয়। 

POST A COMMENT
Advertisement