ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত পাওয়া আপডেট বলছে, মার্কিন মিডটার্ম ইলেকশনে ১০০ আসনের সেনেটে ৪৮টিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা, ৩৭টিতে রিপাবলিকানরা। একই ভাবে ৪৩৫ আসনের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে ১৪৪ আসনে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা, ৯০টিতে রিপাবলিকানরা। ফলত, আর্লি ট্রেন্ডেই ছবিটা স্পষ্ট, শোচনীয় পরাজয় হতে চলেছে ট্রাম্পের দলের। রেজাল্ট দেখে প্রথম প্রতিক্রিয়ায় কী জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি বড় ধাক্কা খাওয়ায় মুখ খুললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রেজাল্টের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মার্কিন হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে ট্রাম্পের দল। সেনেটও দখলের পথে ডেমোক্র্যাটরা। এরই মাঝে বুধবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প দাবি করেন, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে তিনি নিজে প্রার্থী হলে রিপাবলিকান পার্টি বিপুল ব্যবধানে জয় পেত।
ট্রাম্প লেখেন, 'আমি ব্যালটে ছিলাম না। আর যদি থাকতাম, তাহলে আমরা ল্যান্ডস্লাইড জয় পেতাম!”
উল্লেখ্য, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে ভোট হয় না। তবে এই নির্বাচনের ফলাফলকে প্রেসিডেন্টের কাজকর্মের উপর জনসমর্থনের পরীক্ষা হিসেবে দেখা হয়। এবার সেই নির্বাচনের ফলাফলে রিপাবলিকানদের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই নিজের জনপ্রিয়তা এবং দলের সম্ভাব্য পরাজয় নিয়ে এমন মন্তব্য করলেন ট্রাম্প।
এই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে কোনও ভোট হয় না। তবে মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তা নির্ধারিত হয় এই ভোটের মাধ্যমে। এর উপরই নির্ভর করে প্রেসিডেন্ট কতটা সহজে আইন প্রণয়ন করতে পারবেন, বিচারপতি নিয়োগ করতে পারবেন এবং নিজের মেয়াদের বাকি দু'বছর প্রশাসন চালাতে পারবেন। বর্তমানে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে রিপাবলিকানদের আসন সংখ্যা ২১৮, ডেমোক্র্যাটদের ২১৪। দু'টি আসন ফাঁকা রয়েছে। অন্যদিকে, সেনেটে রিপাবলিকানদের আসন ৫৩টি এবং ডেমোক্র্যাটদের ৪৭টি। দুই কক্ষের যেকোনও একটিতে নিয়ন্ত্রণ পেতে ডেমোক্র্যাটদের অন্তত ৪টি আসন বাড়াতে হবে। নির্বাচিত নতুন জনপ্রতিনিধিরা ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।