ফের ট্যারিফ বাড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প, ভারতকে কত শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হবে? জানুন

সারা বিশ্বজুড়ে আমেরিকার ক্ষমতা প্রদর্শন করতে, আবার গোটা পৃথিবীতে বাণিজ্যিক যুদ্ধে একচ্ছত্র কায়েম করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। হয়তো এই পদক্ষেপগুলির মধ্যে সবচেয়ে বলিষ্ঠ হল বিভিন্ন দেশের উপর বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপ করা।

Advertisement
ফের ট্যারিফ বাড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প, ভারতকে কত শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হবে? জানুনভারতকে কত শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হবে? জানুন
হাইলাইটস
  • গোটা পৃথিবীতে বাণিজ্যিক যুদ্ধে একচ্ছত্র কায়েম করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
  • এই পদক্ষেপগুলির মধ্যে সবচেয়ে বলিষ্ঠ হল বিভিন্ন দেশের উপর বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপ করা।
  • আমেরিকা প্রথমে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেছিল।

সারা বিশ্বজুড়ে আমেরিকার ক্ষমতা প্রদর্শন করতে, আবার গোটা পৃথিবীতে বাণিজ্যিক যুদ্ধে একচ্ছত্র কায়েম করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। হয়তো এই পদক্ষেপগুলির মধ্যে সবচেয়ে বলিষ্ঠ হল বিভিন্ন দেশের উপর বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপ করা। 

ভারতের উপর শুল্ক কতটা?

আমেরিকা প্রথমে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেছিল। পরে তা বেড়ে গিয়ে হয় ৫০ শতাংশ। কিন্তু ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ফাইনাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ১৮ শতাংশে নেমে আসে শুল্ক। মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করার পর প্রাথমিক ভাবে ১০ শতাংশ হারে ‘সাময়িক শুল্ক’ ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তা আরও বৃদ্ধি করলেন ট্রাম্প। জানিয়ে দিলেন, ১৫ শতাংশ হারে শুল্ক নেওয়া হবে বিভিন্ন দেশের থেকে।

পরপর শুল্কের ওঠা-নামার ফলে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ভারতকে তাহলে এখন কত শুল্ক দিতে হবে?

আসলে আইন সংশোধনীর পর ভারতের উপর মার্কিন শুল্ক মাত্র ৩.৫% -এ নেমে আসার কথা ছিল। কিন্তু, আদালতের সিদ্ধান্তের পরেই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ নেন ট্রাম্প। ১২২ নম্বর ধারা ব্যবহার করে দুই ধাপে মোট ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভারতের জন্যও এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়। ফলে মার্কিন মুলুকে ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্কের হার এখন প্রায় ১৮.৫ শতাংশ। যেখানে চলতি মাসের শুরুতে নির্ধারিত শুল্ক ছিল ১৮ শতাংশ।

তবে বিশেষ বিষয় হল ১২২ নম্বর ধারা ব্যবহার করে ডোনাল্ড ট্রাম্প যে শুল্ক চাপালেন, তা শুধুমাত্র  ১৫০ দিনের জন্য বৈধ। এরপরেও এই শুল্ক বজায় রাখতে চাইলে ট্রাম্প প্রশাসনকে মার্কিন কংগ্রেসে এই সংক্রান্ত আইন পাস করাতে হবে। 


 
POST A COMMENT
Advertisement