ট্রাম্প-পুতিনের এক ঘণ্টা ফোনালাপ, ইরান যুদ্ধ নিয়ে কী কথা হল?

এগারো দিনে পড়ল মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ। আমেরিকা-ইজরায়েল বনাম ইরানের এই যুদ্ধে চিন্তিত সারা বিশ্ব। কারণটা অবশ্যই অপরিশোধিত তেল। কারণ যুদ্ধের জেরে বিভিন্ন দেশে থমকে গিয়েছে তেলের আমদানি।

Advertisement
ট্রাম্প-পুতিনের এক ঘণ্টা ফোনালাপ, ইরান যুদ্ধ নিয়ে কী কথা হল?ট্রাম্প-পুতিনের এক ঘণ্টা ফোনালাপ
হাইলাইটস
  • এগারো দিনে পড়ল মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ।
  • আমেরিকা-ইজরায়েল বনাম ইরানের এই যুদ্ধে চিন্তিত সারা বিশ্ব।
  • এক ঘণ্টা ফোনে কথা বললেন ট্রাম্প ও পুতিন।

এগারো দিনে পড়ল মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ। আমেরিকা-ইজরায়েল বনাম ইরানের এই যুদ্ধে চিন্তিত সারা বিশ্ব। কারণটা অবশ্যই অপরিশোধিত তেল। কারণ যুদ্ধের জেরে বিভিন্ন দেশে থমকে গিয়েছে তেলের আমদানি। এমন পরিস্থিতিতে প্রায় এক ঘণ্টা ফোনে কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে যে গুটিকয়েক দেশ ইরানকে সরাসরি সমর্থন করছে, সেই তালিকায় রাশিয়া অন্যতম। শোনা যাচ্ছে,  ইরানকে পুতিন সব রকমের গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সাহায্য করছেন। কিন্তু এরই মধ্যে  সোমবার গভীর রাতে যুদ্ধ থামানোর বার্তা দিয়ে আলোচনা হল ট্রাম্প ও পুতিনের মধ্যে। 

জানা গিয়েছে, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে প্রায় ঘণ্টাখানেক এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ক্রেমলিনের তরফে দাবি করা হয়েছে, আমেরিকার পক্ষ থেকে এই ফোনকলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ফোনে পুতিন আমেরিকা-ইজরায়েল বনাম ইরানের এই যুদ্ধ বন্ধের পক্ষেও সওয়াল করেন বলে দাবি।  যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন বলেও দাবি করা হচ্ছে।

বার্তাসংস্থা এএফপি তরফে জানানো হয়েছে, গত ডিসেম্বরের পর এই প্রথম দুই নেতার মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে কথা হল। ইরান যুদ্ধ ছাড়াও, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিয়েও ফোনে কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

পুতিনের কূটনৈতিক পরামর্শদাতা ইউরি উশাকোভ জানান, রুশ প্রেসিডেন্ট ইরান যুদ্ধ নিয়ে দ্রুত একটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর জন্য ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিরসনে দুই দেশের অবস্থান ও সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ১১ দিনে পড়লেও, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ চলছে ২০২২ সাল থেকে। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ওই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করেছিল। তবে তিনি আশা করেছিলেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে প্রায় ৪ বছর ধরে চলছে লড়াই। ইউক্রেনের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে ইউক্রেন এবং পশ্চিমা দেশগুলি।
 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement