১.১ ট্রিলিয়ন ডলার! SpaceX-এর IPO র পর বহু দেশকেও টপকালেন Elon Musk

SpaceX-এর আইপিও কমপ্লিট। আর তারপরেই এলন মাস্কের সম্পদ ১.১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে দাবি। তাঁর সম্পদের পরিমাণ এখন তাইওয়ান, আয়ারল্যান্ড ও ইজ়রায়েলের GDP-কেও ছাপিয়ে গিয়েছে।

Advertisement
১.১ ট্রিলিয়ন ডলার! SpaceX-এর IPO র পর বহু দেশকেও টপকালেন Elon MuskSpaceX-এ এলন মাস্কের মালিকানাও অনেকটাই।
হাইলাইটস
  • শেয়ার বাজারে এনলিস্টেড হল SpaceX।
  • লাফিয়ে বাড়ল ইলন মাস্কের নেট ওয়ার্থ।
  • বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নেয়ার’ হওয়ার নজিরও গড়লেন। 

শেয়ার বাজারে এনলিস্টেড হল SpaceX। লাফিয়ে বাড়ল ইলন মাস্কের নেট ওয়ার্থ। সব মিলিয়ে এখন তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১.১ ট্রিলিয়ন ডলার। সেই সঙ্গে বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নেয়ার’ হওয়ার নজিরও গড়লেন। 

মার্কিন শেয়ার বাজারে SpaceX-এর আইপিওর পর সংস্থার ভ্যালুয়েশন পৌঁছেছে প্রায় ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারে। Nasdaq-এ SPCX চিহ্নে তালিকাভুক্ত হয়েছে স্পেসএক্স। আইপিও থেকে প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার উঠেছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি ও মহাকাশ শিল্পে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

আইপিও চলাকালীন SpaceX-এর শেয়ারের ইস্যু প্রাইস ছিল ১৩৫ ডলার। তালিকাভুক্তির পর সংস্থার বাজারমূল্য দ্রুত বৃদ্ধি পায়। আর তার ফলেই ইলন মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদের অঙ্কও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যালুয়েশনের আইপিও-র রেকর্ড ছিল সৌদি আরবের তেল সংস্থা Saudi Aramco-র। ২০১৯ সালে বাজারে আত্মপ্রকাশ করে তারা প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার তুলেছিল। তুলনায় SpaceX-এর আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ অনেক বেশি।

বাজার সূত্রে খবর, SpaceX-এর শেয়ারের চাহিদা ছিল বিপুল। প্রস্তাবিত শেয়ারের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ে। বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের মাত্রা এতটাই ছিল যে, কয়েকশো বিলিয়ন ডলারের সমান ডিম্যান্ড ছিল। বড় আইপিও-গুলিতে সাধারণত রিটেল বিনিয়োগকারীদের জন্য সীমিত অংশ বরাদ্দ থাকে। কিন্তু SpaceX নাকি প্রায় ৩০ শতাংশ শেয়ার ছোট বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত রেখেছিল।

ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, স্পেসএক্স-এর শেয়ারের প্রথম লেনদেন ১৭৪ ডলারের আশপাশে শুরু হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইস্যু প্রাইসের তুলনায় প্রায় ২৯ শতাংশ প্রিমিয়াম পাওয়া যাবে। 

SpaceX-এ এলন মাস্কের মালিকানাও অনেকটাই। এর সঙ্গে তাঁর অন্যান্য সংস্থা, বিশেষ করে Tesla-সহ বিভিন্ন বিনিয়োগের মূল্য যোগ করে মোট সম্পদের অঙ্ক ১.১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গিয়েছে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, মাস্কের সম্পদের পরিমাণ এখন বিশ্বের একাধিক দেশের মোট অর্থনীতির আকারকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে বলে দাবি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তাইওয়ানের অর্থনীতি প্রায় ৯৭৬.৭ বিলিয়ন ডলারের। একই ভাবে আয়ারল্যান্ড এবং ইজরায়েলের GDP-র তুলনাতেও মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ বেশি।

Advertisement

মহাকাশ প্রযুক্তি, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ একাধিক খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে গত কয়েক বছরে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এলন মাস্ক। SpaceX-এর এই সাফল্য তাঁর আর্থিক সাম্রাজ্যকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল বলেই মনে করছে বাজার। 

POST A COMMENT
Advertisement