IMF Alerts Global Economic Crisis 2026: বড় সঙ্কটের দিকে এগোচ্ছে বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি? সতর্ক করলে IMF

IMF Alerts Global Economic Crisis 2026: আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, বিশ্ব অর্থনীতি এখন এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে বৃদ্ধির হার কমে যাওয়া, অন্যদিকে ঋণের পাহাড়, দুইয়ে মিলে এক বড়সড় সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Advertisement
বড় সঙ্কটের দিকে এগোচ্ছে বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি? সতর্ক করলে IMFবড় সঙ্কটের দিকে এগোচ্ছে বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি? সতর্ক করলে IMF

IMF Alerts Global Economic Crisis 2026: বিশ্বের অর্থনীতির আকাশে কি দুর্যোগের মেঘ ঘনাচ্ছে? আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার (IMF)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্টে কিন্তু সেই আশঙ্কার আভাসই দেওয়া হয়েছে। আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, বিশ্ব অর্থনীতি এখন এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে বৃদ্ধির হার কমে যাওয়া, অন্যদিকে ঋণের পাহাড়, দুইয়ে মিলে এক বড়সড় সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

জর্জিয়েভার মতে, বিগত কয়েক বছর ধরে করোনা অতিমারি এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা বিশ্ববাজারের কোমর ভেঙে দিয়েছে। বিশেষ করে ইউক্রেন বা মধ্যপ্রাচ্যের অশান্তি তেলের বাজার ও সরবরাহ শৃঙ্খলকে বারবার ধাক্কা দিচ্ছে। এর ফলে জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও সাধারণ মানুষের আয় সেই হারে বাড়ছে না। ফলস্বরূপ, মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়ছে বিশ্বজুড়ে।

আইএমএফ প্রধানের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে বিভিন্ন দেশের ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা। অনেক দেশই এখন দেউলিয়া হওয়ার পথে। তাঁর দাওয়াই, এখনই যদি দেশগুলো কঠোর আর্থিক সংস্কারের পথে না হাঁটে, তবে আগামী দিনে মন্দার গ্রাস থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন হবে। ভারতের মতো উদীয়মান অর্থনীতিগুলো কিছুটা লড়াই দিলেও, বিশ্ববাজারের এই ঝোড়ো হাওয়া থেকে তারা কতটা সুরক্ষিত থাকবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

জর্জিয়েভা তিনটি বিষয়ের উপর জোর দিয়েছেন, যেগুলির কারণে অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হতে হচ্ছে। এর মধ্যে আমদানির বাড়তি খরচ ও সরবরাহের ঘাটতি, ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা এবং কঠোর আর্থিক পরিস্থিতিকে রেখেছেন তিনি। যদিও দীর্ঘমেয়াদী মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে, তবুও তিনি সতর্ক করেছেন যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর উচিত দীর্ঘ সময়ের জন্য পরিস্থিতি মোকাবিলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া। তিনি বলেছেন যে, তেল আমদানিকারক অর্থনীতিগুলো, বিশেষ করে সংবেদনশীল অঞ্চলগুলোতে সবচেয়ে বেশি চাপের সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে; অন্যদিকে জ্বালানি রফতানিকারকরাও ব্যাপক বিশ্বব্যাপী প্রভাবের প্রতি সংবেদনশীল থাকবে। ওয়াশিংটনে নীতি-নির্ধারকদের বৈঠকের প্রস্তুতির মাঝে, জর্জিয়েভা শৃঙ্খলার সাথে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন।

 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement