ম্যাপে চিনের দখলদারিঅরুণাচল প্রদেশ এবং আকসাই চিনের ভূখণ্ড নিজেদের ম্যাপে ঢুকিয়ে নিয়েছে চিন। সোমবার চিন তাদের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে। আর তারপরেই তীব্র প্রতিবাদে সরব হয়েছে ভারত। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রক (MEA) জানিয়েছে, চিনের এই ধরনের পদক্ষেপের কারণেই সীমানা নিয়ে জটিলতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।
সোমবার তাদের মানচিত্রের নতুন সংস্করণ প্রকাশ করে চিন। তাতে অরুণাচল প্রদেশ, আকসাই চিন অঞ্চল, তাইওয়ান এবং বিতর্কিত দক্ষিণ চিন সাগর তাদের দেশের সীমানার অধীনে দেখানো হয়েছে।
মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের কাছে এই বিষয়ে মুখ খোলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী। তিনি বলেন, 'আমরা আজ কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে চিনের তথাকথিত ২০২৩ সালের মানচিত্রের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছি। এতে তারা নিজেদের অধীনে ভারতের ভূখণ্ডকে দেখিয়েছে। আমরা এগুলি প্রত্যাখ্যান করছি। কারণ এর কোনও ভিত্তিই নেই। চিনের এই ধরনের পদক্ষেপের কারণে সীমানা সমস্যা ক্রমেই আরও জটিল হয়ে উঠছে।'
এই অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী সীমান্ত বিবাদেও বরাবর নিজেদের এলাকার বিষয়ে অটল থেকেছে ভারত। কেন্দ্র বরাবরই জানিয়েছে যে অরুণাচল প্রদেশ দেশের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
চিনের রাষ্ট্র-চালিত মিডিয়া আউটলেট গ্লোবাল টাইমস সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় চিনের মানচিত্রের নতুন সংস্করণ প্রকাশ করে। গ্লোবাল টাইমস টুইটারে একটি পোস্টে জানিয়েছে, 'সোমবার চিনের স্ট্যান্ডার্ড মানচিত্রের ২০২৩ সংস্করণটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রক তাদের ওয়েবসাইটে নতুন মানচিত্র পোষ্ট করেছে।'
'এই মানচিত্রটি চিন এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাতীয় সীমানা অঙ্কন পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে,' পোস্টে বলা হয়েছে।
মানচিত্রতে তাইওয়ান দ্বীপ এবং দক্ষিণ চিন সাগরের একটি বড় অংশকে চিনা ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই এবং তাইওয়ান-সহ দেশগুলিও দক্ষিণ চিন সাগর এলাকার মালিকানা দাবি করেছে।