Europe Protests: 'বিক্ষোভ থেকে দূরে থাকুন...,' অশান্ত ইউরোপ, ভারতীয়দের সাবধান করল নয়াদিল্লি

হিংসাত্মক বিক্ষোভের মধ্যে ভারত ফ্রান্স, ইতালি ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে বসবাসকারী তার নাগরিকদের জন্য সতর্কবাণী জারি করল। অশান্ত দেশগুলিতে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুস্থতা নিয়ে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে নয়াদিল্লি।

Advertisement
'বিক্ষোভ থেকে দূরে থাকুন...,' অশান্ত ইউরোপ, ভারতীয়দের সাবধান করল নয়াদিল্লি
হাইলাইটস
  • ফ্রান্স, ইতালিতে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কবাণী
  • নিরাপত্তা ও সুস্থতা নিয়ে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে
  • ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে ইউরোপজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ

হিংসাত্মক বিক্ষোভের মধ্যে ভারত ফ্রান্স, ইতালি ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে বসবাসকারী তার নাগরিকদের সতর্ক থাকতে এবং ভ্রমণের সময়ে সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে। 

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, 'ফ্রান্স, ইতালি ও বেলজিয়ামে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসগুলি পরিস্থিতি নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।' অশান্ত দেশগুলিতে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুস্থতা সংক্রান্ত একটি প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, 'তাঁদের সতর্ক থাকতে, বাইরে বেরনোর সময়ে সাবধানতা অবলম্বন করতে এবং যেখানে বিক্ষোভ হচ্ছে, সেই এলাকাগুলি থেকে দূরে থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।'

তিনি ভারতীয় নাগরিকদের সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জারি করা পরামর্শ মেনে চলার জন্যও অনুরোধ করেছেন। রণধীর জয়সওয়াল বলেন, 'ফ্রান্স ও ইতালিতে অবস্থিত আমাদের দূতাবাসগুলিও নাগরিকদের জন্য পরামর্শ জারি করেছে, যা তাদের মেনে চলা উচিত। আমরা বিদেশে বসবাসকারী আমাদের সকল নাগরিকের মঙ্গল ও নিরাপত্তার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'

শনিবার ফ্রান্সে বিক্ষোভ পুনরায় শুরু হতে চলেছে। গত সপ্তাহে সংঘটিত হিংসা ও লুটপাটের পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে। এই বিক্ষোভ চলাকালে হিংসার পুনরাবৃত্তি রোধ করার চেষ্টা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে দেশজুড়ে প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

সাম্প্রতিক দিনগুলিতে প্রধানত ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে ইউরোপজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহে ফ্রান্সেও বিক্ষোভ হিংসাত্মক রূপ নিয়েছিল। কিছু বিক্ষোভকারী ফ্রান্সের লিমোজ শহরের একটি ঐতিহাসিক টাউন হলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং এতে সরকারি সম্পত্তি ও দোকানপাটও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আলবেনিয়া, ফ্রান্স, ইতালি ও পর্তুগালে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। প্যারিসে হিংসার জেরে কার্ফু জারি করা হয়। ইতালি কঠোর হিংসা বিরোধী আইন প্রণয়ন করে।

 

POST A COMMENT
Advertisement